বিভক্ত ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিসিসি) নির্বাচন অনুষ্ঠানের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল রবিবার এ আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করেন। শুনানি শেষে আজ সোমবার এ রিটের ওপর আদেশের জন্য দিন ধার্য রেখেছে আদালত।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিসিসি নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী। এর মধ্যে মো. আলমগীর হোসেন উত্তর সিটি করপোরেশন এবং মোস্তফা আহমেদ দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে রিট আবেদন করেন। আবেদনের পক্ষে ব্যারিস্টার এম বদরুদ্দোজা বাদল এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আল আমিন সরকার শুনানি করেন।
আবেদনে বলা হয়, ২০১১ সালের পহেলা ডিসেম্বর ঢাকা সিটি করপোরেশনকে ভাগ করে সরকার। এই বিভক্ত করার পরে ৬০০ দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানের আইন অনুযায়ী কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। কিন্তু স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইনের ৩৪(১) (ঘ) অনুযায়ী বিভক্তির তারিখ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে সিটি করপোরেশনে নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু এখনো কোন কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
আবেদনে আরো বলা হয়, সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকারগুলো জনপ্রতিনিধি দ্বারা পরিচালিত হবে। স্থানীয় সরকারের আইনের সময়সীমা অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও সংশ্লিষ্টরা এই নির্বাচন এখনো দেয়নি। যা সংবিধান ও স্থানীয় সরকার আইনের লংঘন। আবেদনে নির্বাচন অনু্ষ্ঠান ও তফসিল ঘোষণার কেন নির্দেশনা দেয়া হবে না—মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের কাজের অগ্রগতি জানাতে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের আবেদন জানানো হয়েছে।
