নেপালে জুনিয়র সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের ব্যর্থতার কারণ খোঁজা হবে বলে জানা গেছে। অনূর্ধ্ব-১৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ সেমিফাইনালে নেপালের কাছে হেরে লজ্জায় ফেলেছে। এভাবে আর কোনো দল জুনিয়র ফুটবলে না পাঠানোর পক্ষে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন। এখন থেকে একাডেমিতে বেড়ে উঠা ফুটবলারদের পাঠাতে চাইছেন তিনি। খেলোয়াড় খুঁজে বের করে নামকাওয়াস্তে প্রশিক্ষণ দিয়ে বিদেশে দল পাঠানো যায় না। তা ছাড়া এএফসির বিভিন্ন টুর্নামেন্টে খেলতে গেলে একটা ট্যুরের জন্যই ৭০-৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যয় হয়। তার উপর পাওয়া যায় না কোনো সাফল্য। একাডেমি থেকে খেলোয়াড় পাঠানো হলে আজ না হোক কাল তার ফসল পাওয়া যাবে। বাফুফের ১৮ জন কোচ রয়েছেন, এদের পছন্দের খেলোয়াড়কে নেয়া হয় জুনিয়র ফুটবলে। কারণ বাছাই প্রক্রিয়ায় তারাই থাকেন নির্বাচক। গতকাল বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন বাফুফের টেকনিক্যাল ডাইরেক্টর জোবায়ের নিপুকে ডেকে নিয়ে ব্যর্থতার কারণ জানতে চেয়েছেন। এবছর সেপ্টেম্বরে কিরঘিজস্তানে এএফসির অনূর্ধ্ব-১৬ এবং অক্টোবরে ইরাকে অনূর্ধ্ব-১৯ বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট রয়েছে; কিন্তু বাংলাদেশ যাবে কিনা তা নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে। নেপাল জুনিয়র সাফের ব্যর্থতার জন্যই এমন আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। কাজী সালাহউদ্দিন বলছিলেন, ‘সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবলের পর বয়সভিত্তিক দলগুলো নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। খেলা সামনে এলে ট্রায়াল নিয়ে দল গড়া হয়।’ এটা ঠিক না মনে করছেন বাফুফে সভাপতি। তিনি অনেক আগেই জানিয়েছিলেন তিনি একাডেমির দল পাঠাতে চান। সেটাই হয় তো হতে যাচ্ছে এবার।
