ব্যবস্থাপনা থেকে মালিকানা পৃথকীকরণ (ডিমিউচুয়ালাইজেশন) স্কিম বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) জমা দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) কর্তৃপক্ষ। গতকাল সোমবার দুপুরে ডিএসই সভাপতি আহসানুল ইসলাম টিটুর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ও বিকাল ৩ টার দিকে সিএসই প্রেসিডেন্ট আল মারুফ খানের নেতৃত্বে অপর একটি প্রতিনিধিদল বিএসইসিতে এ স্কিম জমা দেয়।
স্টক এক্সচেঞ্জের জমা দেয়া স্কীম যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় সংযোজন, বিয়োজন এবং পরিমার্জন করে পরবর্তী ২ মাসের মধ্যে তা অনুমোদন করবে বিএসইসি। তবে বিএসইসি প্রয়োজনে অনুমোদনের জন্য অতিরিক্ত আরও এক মাস সময় নিতে পারবে।
স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, স্কীমে পরিচালনা পর্ষদের আকার সর্বনিম্ন ৭ জন এবং সর্বোচ্চ ১৯ জনের কথা বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ারহোল্ডারদের মধ্য থেকে ৩জন। স্টেকহোল্ডারদের মধ্য থেকে ৩ জন। এফবিসিসিআই, এমসিসিআই, ডিসিসিআই থেকে ২জন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ২জন। স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার ২ জন এবং স্টক এক্সচেঞ্জের সিইওকে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এদিকে স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ার বণ্টন হিসাবের যে পরিকল্পনা তা হলো মালিকদের হাতে ৪০ শতাংশ এবং ব্লক হিসাবে ৬০ শতাংশ রাখা হয়েছে, যা পরবর্তী সময়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করা হবে।
প্রসঙ্গত, স্টক এক্সচেঞ্জ ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইন ২০১৩ অনুযায়ী চলতি বছরের ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জর ডিমিউচুয়ালাইজেশন স্কিম ও অন্যান্য ডকুমেন্ট চূড়ান্ত করে বিএসইসির কাছে জমা দেয়ার নির্দেশ ছিল। আর বর্তমানে স্টক এক্সচেঞ্জ বর্তমানে অলাভজনক হলেও ডিমিউচুয়ালাইজেশন হলে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।
