বৈরী আবহাওয়া আর নিম্নচাপের প্রভাবে গত ৪দিনের অবিরাম বর্ষণে কয়রার অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। মানুষের চলাচল বিঘ্নের পাশাপাশি জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকায় নতুন করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে
এলাকার অসহায় মানুষের ঘরবাড়িও তলিয়ে গেছে। অনেকেই গত ২/৩ দিন নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে আইলার ৪ বছর পর ৭টি ইউনিয়নের কিছু কিছু কৃষক চলতি আমন মৌসুমে ধান চাষে ঝুঁকে পড়ছে। অতিবর্ষণের ফলে অধিকাংশ কৃষকদের বীজতলা নষ্ট হয়েছে। তাছাড়া কৃষকদের তরি-তরকারিও পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। কপোতাক্ষ ও শাকবাড়ীয়া নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৩/৪ ফুট বৃদ্ধি পাওয়ায় হুর্বল বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। উপজেলার উত্তর বেদকাশী, দক্ষিণ বেদকাশী, কয়রা, মহারাজপুর, মহেশ্বরীপুর, বাগালী, ও আমাদী ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকার মত্স্য ঘের শত শত পুকুর প্লাবিত হয়ে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসার শরিফ ইকবাল জানান, গত কয়েকদিনের প্রবল বর্ষণের ফলে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এলাকার পাউবোর স্লুইস গেইটগুলো অকেজো হয়ে পড়ায় পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকায় উত্তর বেদকাশী, বতুল বাজার, বড়বাড়ী, ৪নং কয়রা, ৫নং কয়রা, মহারাজপুর, দেয়াড়া, অন্তাবুনিয়া, কালনা, শ্রীরামপুর, মঠবাড়ী, বাগালী, বামীয়া, বগা মালীখালী, গিলাবাড়ী, সাতহালীয়া, হড্ডা, মসজিদকুড়, জায়গীরমহল এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান অ্যাডঃ শেখ আব্দুর রশিদ বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে পাউবোর কাটকাটা, হরিয়ারপুর,গাজীপাড়া, ঘাটাখালী, ৪নং কয়রা লঞ্চঘাট, মঠবাড়ী, জোড়শিং আংটিহারা,ঘড়িলাল, বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম হাসান জানান, গত ৪ দিনে টানা বর্ষণে । উপজেলার অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
