বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে উন্নত জাতের অধিক উত্পাদনশীল পশুপাখি পালন ও জাত উন্নয়নে নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে সমপ্রতি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পার্শ্ববর্তী এলাকা উজানকাশিয়ার চরে আয়োজন করা হয় ব্যতিক্রমধর্মী প্রাণি প্রদর্শনী মেলার। গুড়ি গুড়ি ষ্টিকে উপেক্ষা করে ওই এলাকার উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে সুফলভোগী এবং সাধারণ দুই শতাধিক কৃষক তাদের পশুপাখি নিয়ে মেলায় অংশগ্রহণ করে। মেলায় কৃষক ও এলাকাবাসীর ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত। মেলায় অংশগ্রহণকারী কৃষকদের মধ্যে ভাল জাতের অধিক উত্পাদনশীল পশুপাখি পালনকারীদের ৫টি বিভাগে পুরস্কৃত করা হয়। জানা যায়, বিশ্ব ব্যাংক ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশিনের অর্থায়নে ‘পশুপালন শিক্ষা সমৃদ্ধকরণের মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ ও পোল্ট্রি উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা’ শীর্ষক উপ-প্রকল্পের অধীনে পশুপালন অনুষদের আয়োজনে গত বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী গৌরিপুর উপজেলার উজানকাশিয়ার চরে ওই ব্যতিক্রমধর্মী প্রাণি প্রদর্শনী মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় ওই প্রকল্পের আওতাধীন উজানকাশিয়ার চর আর্দশ প্রাণিসম্পদ সমিতির সুফলভোগী ও এলাকার সাধারণ কৃষকরা তাদের উন্নত ও অধিক উত্পাদনশীল পশুপাখি নিয়ে অংশগ্রহণ করে। মেলায় অংশগ্রহণকারী কৃষকদের মধ্যে ভাল জাতের অধিক উত্পাদনশীল পশু-পাখি পালনকারীদের ৫টি বিভাগে পুরস্কৃত করা হয়। এলাকায় ব্যতিক্রমধর্মী প্রাণি প্রদর্শনী মেলার আয়োজন করে পুরস্কৃত করায় ওই এলাকার কৃষকরা অধিক উত্পাদনশীল ও উন্নত জাতের পশুপাখি পালনে উদ্বুদ্ধ হবে বলে দাবি করেন প্রকল্পের ব্যবস্থাপক অধ্যাপক ড. জসিমউদ্দিন খান।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
জাকির হোসেন তমাল
রমজান মাসে রোজা রেখে পেস্ট বা অন্য কোনো পদার্থ দিয়ে দাঁত ব্রাশ করলে রোজার ক্ষতি হয়। তাই রমজান মাসে সকল রোজাদার ইফতারীর আগে দাঁত পরিস্কারের জন্যে মিসওয়াক ব্যবহার করে থাকেন। এক টাকা থেকে পাঁচ টাকায় সেই মিসওয়াক এখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্রি করছে শিশুরা। সামান্য কয়েকটি টাকার আশায় জঙ্গল বা বড় বড় গাছ থেকে ডাল পেরে তা বিক্রি করছে শিক্ষার্থীদের কাছে। ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় খোলা থাকলে ৫ থেকে ১০ বছরের শিশুরা ক্যাম্পাসে ঘুরে ঘুরে তাদের মিসওয়াক বিক্রি করতে শুরু করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ভবনে এখন অনেক শিশুকে প্রতি দিন দেখা যাচ্ছে হাতে ১০-১৫টি মিসওয়াক নিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে যাচ্ছে। রমজান শুরুর দিন থেকেই তারা এই কাজ করছে। গোটা ক্যাম্পাসে অন্তত ৫০জন শিশু সামান্য কয়েকটি টাকার আশায় মিসওয়াক বিক্রি করছে।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
ক্যাম্পাস প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করার মাধ্যমে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জলাশয়ে মত্স্য চাষ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। উদ্বোধনের প্রাক্কালে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মাছ হচ্ছে প্রাণিজ আমিষের অন্যতম উত্স। কর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন এবং পুষ্টি সরবরাহে মত্স্য সম্পদের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় মাছ হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। মাছের অনেক চাহিদা থাকার কারণে মাছ চাষ করে ভালো আয় করা সম্ভব। নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশপাশি স্থানীয় হাট-বাজার ছাড়াও দূরবর্তী বাজারে মাছ বিক্রি করে লাভ করা সম্ভব।
