গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে ২৫ জন আহত হয়েছে। পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড শটগানের গুলি ছোঁড়ে। এ সময় বর্নিবাজার ও গ্রামে ২০ দোকান এবং বাড়িঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। আটক ৫২ জনকে গতকাল মঙ্গলবার কোর্টে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খালিদ হোসেন জমাদ্দার ও সাবেক চেয়ারম্যান সাজেদুর রহমান মন্টুর সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মারাত্মক আহতদের গোপালগঞ্জ হাসপাতালে ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
৭ দিন আগে বর্তমান চেয়ারম্যান খালিদের সমর্থক গোপালগঞ্জ লাল মিয়া সিটি কলেজের ছাত্র ও বর্নি গ্রামের শাহজাহান ওরফে নুরু মোল্লার ছেলে আবিদ মোল্লার মোবাইল একই গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান মন্টুর সমর্থক লিয়াকত মোল্লার ছেলে তাজুল ইসলাম ভেঙ্গে ফেলে। এ ব্যাপারে ঘরোয়া সালিশ বৈঠকে তাজুলকে মোবাইলটি মেরামত বা কিনে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরে মোবাইল মেরামত করে দেয়। এতেও তারা সন্তুষ্ট না হয়ে নতুন মোবাইল কিনে দেয়ার জন্য চাপ দেয়। এ নিয়ে সোমবার দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি হাবিবুল্লাহ সরকার ৭ রাউন্ড শটগানের গুলিবর্ষণের কথা স্বীকার করে বলেছেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জগন্নাথপুরে সংঘর্ষের পর
দুই গ্রামে লুটতরাজ
জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, উপজেলার কলকলিয়া ইউপির কামারখাল গ্রামে গত ২৪ জুলাই দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে উভয়পক্ষের থানায় মামলা দায়েরের পর পুরুষশূন্য দুই গ্রামে চলছে লুটতরাজ। সোমবার রাতে বিবদমান পক্ষের লন্ডন প্রবাসী আবারক মিয়ার একটি ’স মিলের পাহারাদারকে মারধর করে ’স মিলের ব্যবহূত সরঞ্জামাদিসহ ৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে গতকাল মঙ্গলবার ইউএনও বরাবরে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
