শেয়ারবাজারের সূচক ও লেনদেন কমেছে

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০১৩, ২১:১৬
গতকাল মঙ্গলবার উভয় শেয়ারবাজারে দিনভর উঠা-নামার পর দরপতনের মধ্য দিয়েই লেনদেন শেষ হয়। বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর কমার পাশাপাশি লেনদেনও হয়েছে কম। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ৩৪৪ কোটি টাকা। বেশ কিছুদিন লেনদেন হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি থাকার পর হঠাত্ করে লেনদেন কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে রমজানে বিনিয়োগকারীদের ব্রোকারেজ হাউসে কম আসার প্রবণতাকেই দায়ী করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, রমজানের কারণে অনেকেই ব্রোকারেজ হাউসে আসেন না। তাই ঈদের পরই লেনদেন ভালো হয়ে যেতে পারে। তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৭ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৯৫৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ মূল্যসূচক ১৮ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৩১১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৪৪ কোটি ৭৩ লাখ ৭৪ হাজার ৫৮৯ টাকা, যা আগেরদিনের চেয়ে প্রায় ১ কোটি ৬৩ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৮২টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৩টির, কমেছে ১৯৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৩টি কোম্পানির শেয়ারের। এদিকে তালিকাভুক্ত কোম্পানির ক্ষেত্রে অধিগ্রহণ ও একত্রীকরণ সংক্রান্ত নীতিমালা বা আইন প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এজন্য ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। কমিটির সদস্যরা হলেন- কমিশনের নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ আহমেদ, পরিচালক মাহাবুবুল আলম এবং কামরুল আনম খান। বর্তমানে এ কমিটি অধিগ্রহণ ও একত্রীকরণ সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরির কাজ করছে। এর আগে বিভিন্ন সময় ডিএসই’র পক্ষ থেকে কোম্পানির অধিগ্রহণ ও একত্রীকরণের বিষয়ে বিএসইসিকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।