রোমাঞ্চিত মুশফিকুর রহিম

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০১৩, ২২:০২
গত বিশ্বকাপে দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠার চ্যালেঞ্জটা শেষ পর্যন্ত জিততে পারেনি বাংলাদেশ। এবার সেই চ্যালেঞ্জটা আরও শক্ত হয়েই আসছে মুশফিকদের দলের সামনে। ২০১৫ বিশ্বকাপে ত্রিমুখী চ্যালেঞ্জ নিতে হবে বাংলাদেশকে—অস্ট্রেলিয়াতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে, নিউজিল্যান্ডে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলার চ্যালেঞ্জ; ইংল্যান্ড-শ্রীলঙ্কার মতো পরাশক্তির বিপক্ষে খেলার চ্যালেঞ্জ। তবে এসবে চ্যালেঞ্জ দেখে একটু ভীত নন বাংলাদেশ অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। যদিও এখনও নিশ্চিত নয় যে, মুশফিকই অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে বাংলাদেশের নেতৃত্বে থাকবেন কি না। তবে মুশফিক এখনই এই বিশ্বকাপের ড্র দেখে রোমাঞ্চিত অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের ভেন্যুগুলোর কথা কল্পনা করে। বিসিবির মাধ্যমে দেয়া বিবৃতিতে মুশফিক বলেছেন, ‘আমি বিশেষ করে ব্রিসবেন, মেলবোর্ন ও অ্যাডিলেডে প্রথম খেলার ব্যাপারেই রোমাঞ্চিত। নিউজিল্যান্ডের ভেন্যুগুলোও চমত্কার। সর্বশেষ সফরে হ্যামিল্টনে আমরা ভালো কিছু ইনিংসও খেলেছিলাম। অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের প্রবাসী বাংলাদেশীরা আমাদের একটা বড় শক্তি। সবমিলিয়ে আমি গ্রুপিং দেখে খুবই উচ্ছ্বসিত।’ তবে এই সমর্থন ও ভেন্যুর উচ্ছ্বাসই যে শেষ কথা না, এটা খুব ভালো করেই বোঝেন মুশফিক। দুই স্বাগতিক বড় দল এবং ইংল্যান্ড-শ্রীলঙ্কাকে টপকে সেরা চারে নাম লেখানো যে বিরাট শক্ত ব্যাপার, সেটা নিজেই বলছেন। মুশফিকের ভাষায়, এটা কঠিনতম বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের জন্য, ‘সম্ভবত এটা আমাদের জন্য কঠিনতম বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে। এই কন্ডিশন আসলে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের জন্য পারফেক্ট একটা কন্ডিশন। আমরা উপমহাদেশে যে ধরনের পরিবেশে খেলে অভ্যস্ত, তার চেয়ে একেবারেই ভিন্ন। শ্রীলঙ্কাও ওখানে বেশ সফল দল। ফলে আমরা নিজেদের কিভাবে প্রস্তুত করছি, সেটাই আসলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে।’ এটাই বড় কথা। ২০১৫ বিশ্বকাপ সামনে রেখে, এই বিপরীত কন্ডিশনে খেলোয়াড়দের অভ্যস্ত করতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কী কী পদক্ষেপ নেয়; তার ওপরই আসলেই নির্ভর করছে অনেক কিছু।