সন্ধ্যা, কচা, কালিগঙ্গা ও চিরাপাড়া নদী বেষ্টিত কাউখালী উপজেলার অসংখ্য শিশু ও মা’র পুষ্টির অভাবে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। নদী ভাঙন ও চরাঞ্চলের শিক্ষা, চিকিত্সা থেকে বঞ্চিত এরকম একটি এলাকা উপজেলার ছোট বিড়ালজুড়ী গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা। ২০০১ সালে আশ্রয়ণ প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প ছোট বিড়ালজুড়ী গ্রামে সরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়। উপজেলার ছিন্নমূল, নদী ভাঙনকবলিত ও ভূমিহীনদের পুনর্বাসনের জন্য ৪৫টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়। যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা, নোংরা বাসস্থান, অপরিচ্ছন্ন বস্ত্র থেকে সবকিছু অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তাদের জীবনযাত্রা চলছে। যদিও একটি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সেখানে নামমাত্র শিক্ষা দেয়া হয়। বিদ্যুতের আলো এখনও পৌঁছেনি। বলতে গেলে আধুনিকতার ছোঁয়া কোনো কিছুই তাদের স্পর্শ করেনি। সুবিধাবঞ্চিত ও অনগ্রসর এ শিশুদের ভবিষ্যত্ জীবন যে অন্ধকারময় তা তাদের অভিভাবকরাও জানে না। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেড়ে উঠছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধাবঞ্চিত এসব মা ও শিশু।
এ ব্যাপারে ব্র্যাকের পুষ্টিকণা বিভাগের কাউখালী জোনের ম্যানেজার মোমেনা আক্তার জানান, উপজেলায় ১১৮ জন সেবিকার মাধ্যমে ২০১০ সালের শেষ দিক থেকে পুষ্টিকণা প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প চালু করা হয়। এই প্রকল্প থেকে নামমাত্র মূল্যে পুষ্টিকণা বিতরণ করা হয়। ৭ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত শিশুদের পুষ্টিকণা বিতরণে মাসে মাত্র ৭৫ টাকা একটি শিশুর পুষ্টিমূল্য নেয়া হয়।
