হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়ন না হওয়ায় আদালত অবমাননার মামলা

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০১৩, ২১:৫৩
মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরের বয়স, সম্মানি ভাতা বাড়ানো সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় কার্যকর না হওয়ায় আদালত অবমাননার মামলা হয়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত এ মামলাটি বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালকে নিয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে বিচারাধীন রয়েছে। প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ মে হাইকোর্ট এক রায়ে অবসরের বয়স বাড়ানোসহ মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতা বৃদ্ধি, তাদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত ৩০ শতাংশ কোটার পূর্ণ বাস্তবায়নসহ কয়েকটি পর্যবেক্ষণ দিয়ে এক রায় প্রদান করে। খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ও লিবারেশন ওয়ার ফোর্সেস রিসার্স ফাউন্ডেশন সহ-সভাপতি জামালউদ্দিন শিকদারের দায়েরকৃত রিট আবেদনটি নিষ্পত্তি করে দিয়ে এ রায় দেয়া হয়। রায়ে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন, সন্মানি ভাতা দুই হাজার টাকার পরিবর্তে পাঁচ হাজারে উন্নিত করার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া সরকারি হাসতাপালে মুক্তিযোদ্ধাদের বিনামূল্যে চিকিত্সাসেবা প্রদান এবং যানবাহনে হ্রাসকৃত মূল্যে ভ্রমণ সেবা নিশ্চিত করতে সরকারকে নির্দেশ দেয়া হয়। গত ৫ মে হাইকোর্টের রায়ের অনুলিপি প্রকাশ পায়। অনুলিপি প্রকাশ পাওয়ার পরেও রায় বাস্তবায়নে উদ্যোগ না নেওয়ায় রিট আবেদনকারী হাইকোর্টে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেছেন। আবেদনকারী জামালউদ্দিন শিকদার বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেছি। আংশিক শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। অবকাশের পর পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। প্রসঙ্গত মুক্তিযোদ্ধাদের বয়সমীমা দুই বছর বাড়িয়ে ২০১০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি পাবলিক সার্ভেন্ট রিটায়ারমেন্ট অ্যাক্ট-২০১০ সংশোধন করে গেজেট জারি করা হয়। যাতে মুুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা ৫৭ থেকে বাড়িয়ে ৫৯ করা হয়। কিন্তু ২০১০ সালের ২৬ ডিসেম্বর সাধারণ কর্মচারীদের অবসরের বয়সসীমা বাড়ানো হলেও সেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের কথা বলা হয়নি।