জাতীয় দলের পাকিস্তানি কোচ নাভিদ আলকে লাঞ্ছিত করার কারণে বাপ্পী, প্রিন্স, চন্দন, আশিক উজ্জামান, তুহিনকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কারের প্রতিবাদ জানিয়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। এছাড়াও একই কারণে মোহামেডানসহ সিনিয়র ডিভিশন হকি লিগের ১২টি ক্লাব যৌথ বিবৃতিতে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে। মোহামেডান ছাড়া অপর ক্লাবগুলো হচ্ছে মেরিনার, বাংলাদেশ স্পোর্টিং ক্লাব, ওয়ান্ডারার্স, অ্যাজাক্স, ওয়ারী ক্লাব, ভিক্টোরিয়া, কম্বাইন্ড হকি ক্লাব, উত্তরা হকি ক্লাব, রক্তিম সংঘ, মুক্তবিহঙ্গ এবং দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাব।
মোহামেডান ক্লাব দাবি করে খেলোয়াড়দের এই শাস্তি প্রদান সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হকি ফেডারেশনের নির্বাচনকে ঘিরে সৃষ্ট বিরোধের প্রতিশোধ। শুধু তাই নয় ক্লাবটি মনে করে ‘শাস্তিপ্রাপ্তরা আগামী মৌসুমে মোহামেডানের হয়ে খেলার জন্য চুক্তিবদ্ধ কয়েকজন নির্ভরযোগ্য জাতীয় খেলোয়াড় ও অন্যজন এই ক্লাবের হকি ম্যানেজার, লিগ কমিটির প্রতিনিধি ও সাবেক জাতীয় খেলোয়াড়। হকি অঙ্গন থেকে কৌশলে মোহামেডানকে দূরে ঠেলে দেয়ার জন্যই অবৈধ এ কমিটি ন্যক্কারজনক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
অপরদিকে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ডাইরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভুঞা স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ন্যূনতম নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে চিহ্নিত কুচক্রি মহলের নেয়া এসব অবৈধ সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিপক্ষে দেশের অন্যতম কৃতী হকি খেলোয়াড়দের আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো সুযোগ তো দেয়াই হয়নি; তথাপি জাতীয় দলের কোচকে লাঞ্ছিত করার অপবাদ দিয়ে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টায় ব্যস্ত রয়েছে। বিস্ময়কর হলেও সত্য যে, জাতীয় দলের পাকিস্তানী কোচ নাভিদ আলম এ নিয়ে কাউকে কোন লিখিত বক্তব্য দেননি, এমনকি এ সকল খেলোয়াড় কর্তৃক তিনি লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে কারো কাছে মন্তব্য করেননি বলে আমাদের জানিয়েছেন, যার প্রমাণ আমাদের কাছে আছে।’
বিবৃতিতে দাবি করা হয়-‘বর্তমান অবৈধ কমিটির কর্তাব্যক্তিগণ সাম্প্রতিককালে ফেডারেশনের নির্বাচনে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন বিষয়ে ভিন্নমত পোষণকারীদের শায়েস্তা করার উদ্দেশ্যে এহেন নাটকীয় ঘটনা ঘটিয়েছেন।’
