শেয়ারবাজারের সূচক ও লেনদেন কমেছে

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০১৩, ২০:৪৫
গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে শেয়ারবাজারের সূচক নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তবে সূচকের ওঠানামার মধ্যেও লেনদেন কমে যাওয়ার প্রবণতা বিনিয়োগকারীদেরকে ভাবিয়ে তুলছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের বন্ধ ও ধীরে ধীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠার আশঙ্কায় বিনিয়োগ কমে যাচ্ছে। ফলে লেনদেন হচ্ছে তিনশ’ কোটি টাকার ঘরে। তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২৯ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৯১১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩০২ কোটি ৮৩ লাখ ৬২ হাজার টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৭০ কোটি ৭৪ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৮৭টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১১১টির, কমেছে ১৩৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টি কোম্পানির শেয়ারের। আইডিএলসি’র দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, অনেক কোম্পানিরই দ্বিতীয় প্রান্তিকের ফল কিছুটা খারাপ ও ঈদ উল ফিতর এর বন্ধের কারণে পতনের মধ্য দিয়ে আরেকটি দিন পার করলো শেয়ারবাজার। এদিকে ঈদের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠার আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ থেকে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। ফলে গতকালও বাজারে লেনদেন কম হয়েছে। তবে কিছু স্ক্রিপ্টভিত্তিক বিনিয়োগের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা কিছুটা মুনাফা নেয়ার চেষ্টা করছেন। বাজারে দর বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল ফার্মাসিউটিক্যালস ও বিবিধ খাত। আর দর কমার ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল ব্যাংক ও বীমা খাতের কোম্পানিগুলো। এদিকে গতকালও লেনদেনের ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল জ্বালানি খাত। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুত্ ও জ্বালানি খাতের ২ কোম্পানির অর্ধবার্ষিকের (জানু-জুন’১৩) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে সামিট পাওয়ার লিমিটেডের অর্ধবার্ষিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী কর পরবর্তী মুনাফা (অনিয়ন্ত্রিত আয় ব্যতীত) হয়েছে ১১৬ কোটি ৯২ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ দশমিক ৯৮ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিলো যথাক্রমে ৯৪ কোটি ৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ১ দশমিক ৫৯ টাকা। আর সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিবেদন অনুযায়ী কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩৩ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ দশমিক ৭৯ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিলো যথাক্রমে ২৩ কোটি ৫৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ২ দশমিক ১৮ টাকা।