সোনালী ব্যাংকের এজিএমসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০১৩, ২১:২২
ভুয়া দলিল দেখিয়ে দুই কোটি ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সোনালী ব্যাংক প্রধান শাখার দুই সহকারী মহাব্যবস্থাপকসহ (এজিএম) মোট সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশান থানায় দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. ওয়াহিদুজ্জামান বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আসামিরা হলেন, সোনালী ব্যাংক প্রধান শাখার এজিএম মো. আখতারুজ্জামান, গোপাল চন্দ্র দাস, প্রিন্সিপাল অফিসার সন্তোষ চন্দ্র দেবনাথ, গুলশান শাখার অফিসার আবুল হাশেম, সিনিয়র অফিসার এ এইচ এম খায়রাজ্জামান, অ্যাসিট্যান্ট অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম এবং ফাহিম অ্যাটোয়ার নামে অস্তিত্বহীন একটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মাসুদুর রহমান মাজেদ। এদের মধ্যে সোনালী ব্যাংকের এজিএম ওয়াহিদুজ্জামান বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত রয়েছেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পারস্পরিক যোগসাজশে ভুয়া দলিল ব্যবহার করেছে। অস্তিত্বহীন গার্মেন্টসের মালিক মাসুদুর রহমান মাজেদ বসতবাড়ির জমিতে ফাহিম অ্যাটোয়ার নামে একটি গার্মেন্টসের অস্তিত্ব দেখিয়ে মিথ্যা মূল্য নির্ধারণ করেন। এদিকে ব্যাংক কর্মকর্তারা উদ্দেশ্য-মূলকভাবে পরিদর্শন প্রতিবেদন ও রেকর্ডপত্র ব্যবহার করে মাসুদুর রহমান মাজেদের নামে সোনালী ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে দুই কোটি ৩০ লাখ টাকা ঋণ মঞ্জুর করেন। এভাবে আসামিরা পারস্পরিক যোগসাজশে এই ঋণ জালিয়াতি করেছেন। দুদক সূত্র জানিয়েছে, তাদের প্রাথমিক অনুসন্ধানে এ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ২নং আইনের ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।