নওগাঁ মান্দা উপজেলার প্রসাদপুর খাদ্য গুদামের জাল ওজন-মান মজুদ (ওমম) সনদ দাখিল করে সোনালী ব্যাংক থেকে প্রায় ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার বিষয়টি তদন্তে প্রমাণিত হওয়ার পরও ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে। জেলা প্রশাসনের গঠিত তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি এ ঘটনায় জড়িত খাদ্য বিভাগ ও ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশে জেলা প্রশাসক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও সোনালী ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারকে (ডিজিএম) নির্দেশ দিলেও গত ১৫ দিনেও তা কার্যকর করা হয়নি।
সংশ্লিষ্ট খাদ্য বিভাগ ও ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য জড়িত ব্যক্তিরা উপর মহলে দৌড়-ঝাপ করছে বলে জানা গেছে। নওগাঁ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. রবিউল আহসান এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে বলে জানান। ব্যাংকের ডিজিএম গোলাম মোস্তাফা বলেন, এ মুহূর্তে মামলা করা হলে প্রতিশ্রুতির টাকা পাওয়া যাবে না।
