শীর্ষে বরিশাল ক্যাডেট কলেজ

বরিশাল বোর্ডে বেড়েছে পাসের হার

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০১৩, ২২:১০
বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে। তবে কমেছে জিপিএ-৫’র সংখ্যা। এ বছর পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৯ শতাংশ। গত বছর পাসের হার ছিলো ৬৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ। গতকাল শনিবার বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মুহাম্মদ শাহ্ আলমগীর ফলাফল ঘোষণা করেন। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৮৫৩ জন পরীক্ষার্থী। গত বছর জিপিএ-৫’র সংখ্যা ছিলো ১ হাজার ৮৯৮। জিপিএ-৫ এবং পাসের হার উভয় দিক থেকেই এবার মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। মোট জিপিএ-৫’-এর মধ্যে মেয়েরা পেয়েছে ৯৬০টি এবং ছেলেরা পেয়েছে ৮৯৩টি। এ বছর মোট ৫২ হাজার ১৭৩ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। যার মধ্যে ২৬ হাজার ১৭৭ জন ছাত্রী এবং ২৫ হাজার ৯৯৬ জন ছাত্র। এদের মধ্যে পাস করেছে ৩৭ হাজার ৪০৩ জন। মেয়ে এর মধ্যে ১৯ হাজার ৬২ জন এবং ছেলে ১৮ হাজার ৩৪১ জন। মেয়েদের পাসের হার ৭২ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং ছেলেদের পাসের হার ৭০ দশমিক ৫৫ শতাংশ। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে প্রথম স্থান অধিকার করেছে বরিশাল ক্যাডেট কলেজ। ২য় স্থানে রয়েছে নগরীর অমৃত লাল দে কলেজ। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সরকারি মহিলা কলেজ, ৪র্থ সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ। বরিশাল বোর্ডে সেরা ২০ পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা, পাসের হার, জিপিএ-৫ ও প্রাপ্ত পয়েন্টের ভিত্তিতে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এবারো প্রথম স্থানে রয়েছে বরিশাল ক্যাডেট কলেজ। এখান থেকে ৪৬ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৪৬ জনই জিপিএ-৫ পেয়েছেন। এ প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্ত পয়েন্ট ৯০। ৭১ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে বরিশাল অমৃত লাল দে কলেজ। এ কলেজের ৮৭০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৮০৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৪৫ জন। তৃতীয় স্থানের অধিকারী বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এবার ৮৫৮ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৭৩১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১২ জন। চতুর্থ স্থানে রয়েছে বরিশাল সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ । ৮০৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৬২৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১২৯ জন। ৫ম বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ডিগ্রি কলেজের ৪৯১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৪৩৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৬ জন। ষষ্ঠ বরগুনার আমতলী কলেজে পাস করেছে ৫৪৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪ জন। ৭ম বরগুনার পাথরঘাটা কলেজের ৩৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৩৩৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৪ জন। ৮ম পিরোজপুরের স্বরূপকাঠীর শহীদ স্মৃতি কলেজের ৫১৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৪৩৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৯ জন। ৯ম উজিরপুর উপজেলার হাবিবপুর সৈয়দ আজিজুল হক কলেজের প্রাপ্ত পয়েন্ট ৬০ দশমিক ৭৯। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ জন। ৩৭০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৩৩৫ জন। ১০তম পিরোজপুর সরকারি বালিকা কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ জন। ৩৭৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৩৪২ জন। ১১তম স্থানের অধিকারী বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া আইডিয়াল কলেজের ৩৯৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৩৫৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩১ জন। ১২তম বরিশাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৫০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২২৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৩ জন। ১৩তম পটুয়াখালীর দুমকি জনতা কলেজের ২৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২৮২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮ জন। ১৪তম আগৈলঝাড়া উপজেলার শহীদ আ. রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রি কলেজের ৩৮২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৩১৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৩ জন। ১৫তম ভোলার সরকারি কলেজের ৪৬০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৩৬৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৩ জন। ১৬তম বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার বাবুগঞ্জ কলেজের ৩৬২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৩০২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭ জন। ১৭তম বরিশালের হিজলা উপজেলার হিজলা কলেজের ৪০২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৩৪৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন। ১৮তম বরগুনার বেতাগী ডিগ্রি কলেজের ৪৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৩৬২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪ জন। ১৯তম বাবুগঞ্জের আগরপুর কলেজের ৩৬১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৩১৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭ জন। সবশেষে রয়েছে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার আলহাজ্ব বিএন খান ডিগ্রি কলেজ। এই কলেজের ২৫৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২২৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭ জন।