প্রায় দেড়যুগ অতিবাহিত হলেও খুলনার জোড়াগেট পাইকারি কাঁচাবাজারটি চালু করা যায়নি। নেয়া হয়নি পরিকল্পিত উন্নয়নের কোন উদ্যোগ। অনেক সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে এ বাজারটি পড়ে রয়েছে অনাদর-অবহেলায়। কাঁচাবাজারটি চালু না হওয়ায় ঘরভাড়া বাবদ ১০ কোটি টাকা এবং বাজার থেকে টোল আদায় বাবদ আরও ১০ কোটি টাকাসহ মোট ২০ কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি)।
সূত্র জানায়, ১৯৯৬ সালে নগরীর জোড়াগেট রেলক্রসিংয়ের অদূরে রেলওয়ের ৪ দশমিক ৫৯ একর জমিতে একটি পাইকারি কাঁচাবাজার চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। একই বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি বাজারের ঘর বরাদ্দের জন্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দরপত্র আহ্বান করে খুলনা সিটি কর্পোরেশন। ২৪টি চাঁদনী ও ৮০টি আড়তের ব্যবস্থা রেখে দরপত্র আহ্বান করা হয়। প্রতিটি ঘরের জন্য ৭৮ হাজার টাকা প্রদান করে ঘর বরাদ্দের বিষয়টি অনুমোদন দেয়া হয়। সিদ্ধান্ত হয় ৭৮ হাজার টাকা ৫ কিস্তিতে পরিশোধ করতে পারবে ব্যবসায়ীরা। সে অনুযায়ী প্রতি কিস্তিতে টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ১৫ হাজার ৬০০ টাকা। ১০৪ জন ব্যবসায়ীর প্রত্যেককে প্রথম কিস্তির টাকা পরিশোধ করে বাজার চালুর অপেক্ষা করতে থাকেন। কিন্তু অদ্যাবধি বাজারটি চালু করা সম্ভব হয়নি।
