ডারহ্যামে চতুর্থ টেস্ট শুরু শুক্রবার

নতুন বিতর্কে অ্যাশেজ সিরিজ

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০১৩, ২১:২৬
ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া আগামী শুক্রবার ডারহ্যামের রিভারসাইড গ্রাউন্ডে শুরু হতে যাওয়া চতুর্থ অ্যাশেজ টেস্ট শুরুর প্রাক্কালে কেভিন পিটারসেনের ব্যাটে সিলিকন টেপ লাগানোর অভিযোগ নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হয়েছে। বিষয়টি এতটাই আলোচিত হচ্ছে যে খোদ অভিযোগটির তদন্তে নেমেছে ক্রিকেটের বিশ্ব সংস্থা আইসিসি। পিটারসেন নিজে অবশ্য অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার চ্যানেল নাইন গতকাল বুধবার অভিযোগ তোলে যে ইংল্যান্ড ব্যাটসম্যান পিটারসেন তার ব্যাটের কানা ছুঁয়ে ওঠা ক্যাচ যেন ধরা না পড়ে সেজন্য হটস্পট প্রযুক্তিকে ফাঁকি দিতে সিলিকন টেপ ব্যবহার করেছেন। আইসিসির কাছ থেকে অবশ্য গতরাতে এ বিষয়ে কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি। শুধু জানা গেছে ক্রিকেটের বিশ্ব সংস্থার অপারেশন্স ডিরেক্টর জিওফ অ্যালারডাইস ডারহ্যামে টেস্টটি শুরুর প্রাক্কালে উপস্থিত থাকবেন ডিআরএস নিয়ে খেলোয়াড়দের দুশ্চিন্তা দূর করার জন্য। চলমান পাঁচ টেস্টের অ্যাশেজ সিরিজে এর আগে ডিসিশন রিভিউ সিস্টেমের (ডিআরএস) অধারাবাহিকতা নিয়ে সমালোচনা হয়। এই ডিআরএস পদ্ধতিরই একটা অংশ হলো হটস্পট প্রযুক্তি। হটস্পট প্রযুক্তিতে ইনফ্রারেড ক্যামেরা ব্যবহূত হয় যা দিয়ে ব্যাটসম্যান ব্যাট কিংবা প্যাডে বলের আঘাত চিহ্নিত করা যায়। অস্ট্রেলিয় চ্যানেলটি অবশ্য দাবি করেছে পিটারসেন একাই নন, দুদলের কোন কোন ব্যাটসম্যান এটা ব্যবহার করছে। তার মানে অস্ট্রেলিয়রাও এ চাতুরিতে পিছিয়ে নেই। তবে উভয় দেশের খেলোয়াড়রাই অভিযোগটি প্রত্যাখ্যান করেছেন। পিটারসেন বলেছেন, ‘আমি কখনোই আউট হওয়াকে ভয় পাই না। যখন আমার কানায় লাগে তখনই আমি হাঁটা দেই। কাজেই ব্যাটে সিলিকন টেপ দিয়ে মোড়ানোর অভিযোগ আমাকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। তাছাড়া আমি কেনই বা এটা করবো, যেখানে পদ্ধতিটি আমাকে এলবিডব্লিউর আবেদন থেকে রক্ষা করে।’ সফরকারী অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক অভিযোগটিকে ‘বেশ হাস্যকর’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করে বলতে পারি, অস্ট্রেলিয়ার সাজঘরে একজনও নেই যে কিনা প্রতারক। আমরা যেভাবে ক্রিকেট খেলি তার মধ্যে এটা নেই।’ স্বাগতিক ইংল্যান্ড ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে শেষ হওয়া তৃতীয় টেস্টটিতে আবহাওয়ার আনুকূল্যে ড্র করার পর অ্যাশেজ ধরে রাখে। এ ড্রয়ের আগেই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল অ্যালিস্টার কুকের দল।