চলন্ত বাসে ধর্ষণ ও হত্যা: হেলপারের স্বীকারোক্তি

আপডেট : ১৪ মে ২০১৯, ২২:৪৬

নার্স শাহিনূর আক্তার তানিয়াকে চলন্ত বাসে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বাসের হেলপার লালন মিয়া। সে স্বীকার করেছে স্বর্ণলতা প্রাইভেট পরিবহন লিমিটেডের বাসের (ঢাকা মেট্রো ব-১৫-৪২৭৪)  ড্রাইভার নূরুজ্জামান নূরু, হেলপার লালন মিয়া ও নূরুজ্জামানের খালাতো ভাই বোরহান - এই তিনজনে মিলেই বাসের যাত্রী তানিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যা করেছে।

মঙ্গলবার (১৪ মে) বিকালে অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে লালন মিয়াকে আদালতে আনা হয়। কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আল মামুন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে লালন মিয়াকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মো: মাশরুকুর রহমান খালেদ, কোর্ট ইন্সপেক্টর তফিকুল ইসলাম তৌফিক ও মামলার আইও বাজিতপুর থানার ওসি(তদন্ত) মো: সারোয়ার জাহান।

পুলিশ সুপার জানান, গত রবিবার একই আদলতে ড্রাইভার নূরুজ্জামানের দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির সঙ্গে লালন মিয়ার জবানবন্দির মিল রয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা মো: সারোয়ার জাহান জাহান মঙ্গলবার রাতে জানান, তিনজন মিলেই ধর্ষণ ও হত্যাকা-টি সংঘটিত করেছে বলে লালন মিয়া আদালতে স্বীকার করেছে। তবে জবানবন্দির কপি এখনো তার হাতে আসেনি বলে তিনি বিস্তারিত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

পুলিশ সুপার জানান, বোরহান ও এজাহারভুক্ত আসামি আল আমিনকে গ্রেফতার করতে গতকাল মঙ্গলবার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। এখনো রিমান্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি বাজিতপুর থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। এরা হল, রফিকুল ইসলাম রফিক, খোকন মিয়া বকুল মিয়া ওরফে ল্যাংরা বকুল। তাদের আট দিনের রিমান্ড আজ বুধবার শেষ হবে।

আরও পড়ুন: ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি: বড়লেখার জুয়েল নিখোঁজ, উৎকণ্ঠায় পরিবার

গত ৬ মে রাতে কটিয়াদী উপজেলার বাহেরচর গ্রামের  মো: গিয়াসউদ্দিনের কন্যা ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালের নার্স শাহিনূর আক্তার তানিয়া ঢাকার বিমানবন্দর থেকে স্বর্ণলতা পরিবহনের বাসে চড়ে বাড়ি ফেরার পথে বাজিতপুর উপজেলার বিলপাড়-গজারিয়া নামক স্থানে গণধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

ইত্তেফাক/নূহু