বেগমগঞ্জের পশ্চিমাঞ্চলে নোয়াখালী খালের ওপর রাবার ড্যাম নির্মাণ করে সংযুক্ত কয়েকটি খাল পুনঃখনন করলে জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও সেচের সুবিধা বাড়বে।
বিএডিসি, কৃষি সমপ্রসারণ বিভাগ ও পানি উন্নয়ন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালীর মূল ভূখন্ডে কোন নদী না থাকায় পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম নোয়াখালী খাল। পূর্বে এ খালের মাধ্যমে পানি দক্ষিণে মেঘনায় এবং পশ্চিমে মেঘনায় নিষ্কাশন হতো। কয়েক বছর পূর্বে খালের দক্ষিণাংশে পলি জমায় সমস্ত পানি উত্তর দিকে নেমে আসে। পানি নিষ্কাশনের পথ হয়ে দাঁড়ায় পশ্চিম দিকে মেঘনায়। তাছাড়া দীর্ঘ দিন নোয়াখালী খাল ও সংযুক্ত বেশ কয়েকটি খাল পুনঃখনন না হওয়ায় পানি ধারণক্ষমতা কমে যায়। ফলে বর্ষার শুরুতে বেগমগঞ্জ, সোনাইমুড়ি, চাটখিল ও সেনবাগের নিচু এলাকা নিমজ্জিত হয়। নোয়াখালী খালের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় জলাবদ্ধতা প্রকট আকার ধারণ করে। এর ফলে ৪ উপজেলার একাংশে আউস, আমন ও রবি ফসল হয় না। ভাটির সময় পানি আটকানো পানি শীতকালীন বোরো ফসল এ অঞ্চলের কৃষকদের অবলম্বন। সময়মত বাঁধ দেয়া না গেলে পানি দ্রুত নেমে যায়। ফলে বোরো চাষেও সেচ সংকট দেখা দেয়। তবে এখানে রাবার ড্যাম নির্মাণ করা হলে বেগমগঞ্জ, সোনাইমুড়ি, চাটখিল উপজেলা ও সেনবাগের একাংশ একদিকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হবে। অপরদিকে অধিক পরিমাণে জমি সেচের আওতায় আসবে। ফসল উত্পাদন বৃদ্ধির সাথে সাথে খাল হতে উত্তোলিত মাটি দ্বারা রাস্তা নির্মাণ করে জনসাধারণের চলাচল ছাড়াও বন সৃষ্টি করা যাবে।
