মোহাম্মদ রফিক
বাংলাদেশের কিংবদন্তী এই বাঁহাতি স্পিনার ছিলেন ঢাকা গ্লাডিয়েটর্সের সহকারী কোচ। সংবাদ মাধ্যমের ভাষ্য হল, আকসু তদন্ত দলের কাছে আশরাফুল যে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন, সেখানে রফিকের নাম এসেছে। বলা হয়েছে, রফিক এই ম্যাচ ফিক্সিং ঘটনা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন। কিন্তু সাবেক এই ক্রিকেটার এ অভিযোগ অস্বীকার করে বরং বলেছিলেন, তিনিও ম্যাচ পাতানোর কথা শুনেছেন। তবে তিনি নিজে কোনোভাবেই এসব কাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে মানেনি।
==
মাহবুবুল আলম
জাতীয় দলে অনেক ধরে অনুপস্থিত এক সময়ের শীর্ষ পেসার মাহবুবুল আলম রবিন আলোচনায় আসেন মোহাম্মদ আশরাফুলের জবানবন্দির সূত্র ধরে। যদিও আশরাফুল নিজে মুখে প্রকাশ্যে কারো নাম কোথাও বলেননি। তবে সংবাদ মাধ্যম শুরু থেকে দাবি করে আসছে এই পেসার বিপিএলের আলোচিত দুটি ম্যাচের একটিতে আগে থেকে ঠিক করা বড় একটা ‘নো বল’ করেছিলেন। অবশ্য ৪ টেস্ট ও ৫ ওয়ানডে খেলা রবিন সবসময়ই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি আগেই বলেছেন, নো-বলটা খেলার অংশই ছিল।
==
মোশাররফ হোসেন
একসময় মনে করা হত তিনি বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনের ভবিষ্যত্ মোশাররফ হোসেন রুবেল। আইসিএলে গিয়ে সে সম্ভাবনা অনেকটাই নষ্ট করেছিলেন তিনি। এরপর আবার যখন ফিরে আসছিলেন, তখনই রুবেলের বিপক্ষে এই বিপিএল কেলেঙ্কারিতে জড়ি থাকার অভিযোগ উঠল। এ ক্ষেত্রেই সূত্র আকসু তদন্ত দলের কাছে দেয়া আশরাফুলের জবানবন্দি। রুবেলও যথারীতি এই অভিযোগ কখনো স্বীকার করেননি। তিনি এ বিষয়ে সবসময় মন্তব্য করা থেকেই বিরত থেকেছেন।
===
ঢাকা গ্লাডিয়েটর্স
যে দুটি ম্যাচ নিয়ে এতো আলোচনা দুটিরই মূল দল ছিল ঢাকা গ্লাডিয়েটর্স। তারা পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থাকা অবস্থায় হঠাত্ করে নিয়মিত অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা ও তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে বাইরে রেখে এই দুই ম্যাচে দল গঠন করেছিল। তখনই সংবাদ মাধ্যমে এই ঘটনা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়। পরে তদন্তকালে দফায় দফায় দলটির মালিকসহ বিভিন্ন কর্মকর্তার নাম এসেছে। অবশ্য প্রতিবারই সংবাদ মাধ্যমের কাছে এসব অস্বীকার করেছেন দল সংশ্লিষ্ট সকলে।
