হারের বৃত্ত থেকে বেরই হতে পারছে না বাংলাদেশ ‘এ’ দল। বরং প্রথম দুই ম্যাচে অল্প ব্যবধানে হারের পর সফরের তৃতীয় ম্যাচে এবার ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশের শক্তিশালী এই দলটি।
ওল্ড ট্রাফোর্ডে রবিবার প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ ‘এ’ দল করেছিল ১৭১ রান। জবাব দিতে নেমে জয় পেতে কোনো বেগই পায়নি ল্যাঙ্কাশায়ার। ইলিয়াস সানির জোড়া উইকেট শিকারের পরও ১৬.৫ ওভার হাতে রেখেই জয় পেয়েছে তারা।
টানা দুই ম্যাচে হারের জন্য হোক আর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হোক; রবিবারের এই ম্যাচে অধিনায়ক জহুরুল ইসলাম অমিকে বাইরে রেখে একাদশ মাঠে নামালো বাংলাদেশ ‘এ’ দল। আর অমির বদলে দায়িত্ব পাওয়া আরেক জাতীয় দল তারকা নাঈম ইসলাম ফিফটি করেই তার প্রতি বিশ্বাসের প্রতিদান দিয়েছেন।
নাঈম ইসলাম ও সামসুর রহমান শুভর ফিফটিতে গতকাল সফরের তৃতীয় ম্যাচে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে ৪৭.৩ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে ১৭১ রান করতে পেরেছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।
গতকাল ম্যাচে উদ্বোধনী জুটিতেও পরিবর্তন এসেছে। জহুরুলের বদলে দলে ঢোকা ইমরুল কায়েস ইনিংস শুরু করেছেন সামসুর রহমান শুভর সঙ্গে। এনামুল হক বিজয় নেমে গেছেন জহুরুলের পজেশন, মানে তিন নম্বরে। ইমরুল সুযোগ পেয়েও মাত্র ৫ রানে আউট হয়ে ফিরেছেন। আর আগের ম্যাচে ফিফটি করা বিজয় কোনো রান না করেই ফিরেছেন। তবে শুভ আউট হওয়ার আগে ৮৫ বলে ২টি চার ও দুটি ছয়ে সাজানো ৫১ রান করে গেছেন। পরে পাঁচ নম্বরে নামা নাঈম ৮৯ বলে ৫টি চারে সাজানো ৫৭ রানের ইনিংস খেলেছেন।
এই দুই ইনিংসের পর আবারও বাংলাদেশ ‘এ’ দলের শেষটা ধসে পড়েছে। ফলে মাত্র ১৭১ রানে অলআউট হয়েছে তারা।
জবাব দিতে নেমে খুবই স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যাট করেছে স্বাগতিক ল্যাঙ্কাশায়ার। ওপেনার অ্যালেক্স ডেভিস ও তিন নম্বরে নামা অধিনায়ক স্টিভেন ক্রফটকে ইলিয়াস সানি সাজঘরে ফেরালেও আরেক ওপেনার স্টিফেন মুর ৬১ রানের ইনিংস খেলে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে গেছেন।
