আইন বলছে ট্রাইব্যুনালে দোষ প্রমাণিত হলে পাঁচ বছর থেকে আজীবন পর্যন্ত নিষিদ্ধ হতে পারেন মোহাম্মদ আশরাফুল। তবে শাস্তি কমানোর চেষ্টা করবেন গত জুনে নিজের দোষ স্বীকার করে নেয়া এই ক্রিকেটার। গতকাল মঙ্গলবার সকালে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, প্রয়োজনে আইনজীবীও নিয়োগ করতে পারেন তিনি।
গতকাল সকালে আইসিসির চিঠি নিতে হোটেল র্যাডিসনে এসেছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক। চিঠি হাতে পাওয়ার পর তিনি বলেন, ‘আমি আকসুকে তদন্তের ব্যাপারে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছি। তাই আমি আশা করছি আমার শাস্তি কিছুটা হলেও কমবে। আর এজন্য আমাকে একজন আইনজীবীর মাধ্যমেই ট্রাইব্যুনালের সামনে নিজের বক্তব্য তুলে ধরতে হবে। তাই আমি একজন আইনজীবী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শাস্তি কমলে আমি আবারো ক্রিকেটে ফিরে আসতে চাই।’ এর আগে গত জুন মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয় টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে সেঞ্চরির রেকর্ড গড়া এই ব্যাটসম্যানকে।
আর আশরাফুলের শাস্তি কমার আভাস দিলেন ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) প্রধান নির্বাহী ডেভিড রিচার্ডসন। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘দোষ স্বীকার করে নিলে যেকোন মামলার ক্ষেত্রেই শাস্তি কমিয়ে দেয়া হয়ে থাকে। আশরাফুলের ক্ষেত্রেও এমনটা ঘটতে পারে।’
আর শাস্তি যদি পাঁচ বছরের কম হয় তাহলে আবারো ক্রিকেটে ফিরে আসতে চান আশরাফুল। ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে তিনি বলেন, ‘আমি তদন্তের জন্য আকসুকে নিজের থেকে সর্বোচ্চ সহায়তাই করেছি। তাই এই ব্যাপারটাকে যদি তারা মনে রাখেন তাহলে আমার মতে আমার শাস্তি দুই থেকে তিন বছরে নেমে আসবে। আর সেক্ষেত্রে তখন আমার বয়স হবে ৩২। তখন আমি কোনভাবেই নিজের শেষ দেখে ফেলতাম না। অনেক ক্রিকেটার আছেন যারা অনেক বয়স নিয়েও খেলে গেছেন। সনথ (জয়সুরিয়া) খেলেছেন, আর শচীন (টেন্ডুলকার) তো এখনো খেলে যাচ্ছেন।’
