স্থায়ী ক্যাম্পাসের অভাবে সাউথ পয়েন্ট স্কুলের শিক্ষার্থীদের দুর্দশা

আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০১৩, ২১:৫৮
‘সাউথ পয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজ’ গত ১০ বছর ধরে শিক্ষাক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করলেও স্থায়ী একটি ক্যাম্পাসের অভাবে শিক্ষার্থীদের দুর্দশা কাটছে না। ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যাপক চাপ থাকায় কর্তৃপক্ষ হিমশিম খাচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতে। ঢাকা বোর্ডের গত ১০ বছরের ফলাফলে সেরা ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে। বর্তমানে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৭ হাজার। স্কুলের অধ্যক্ষ হামিদা আলী জানান, রশিদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ক্যালকাটা সাউথ পয়েন্ট স্কুলের আদলে এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়েছে। ক্যালকাটা সাউথ পয়েন্টের মতো রাজধানী ঢাকার এই স্কুল ও কলেজটি যাতে গিনেজ বুকে স্থান পায় সে জন্য ব্যাপক কাজ শুরু হয়েছে। রশিদ ফাউন্ডেশনের কর্ণধার ইঞ্জিনিয়ার এম এ রশিদ এই ব্যাপারে বলেন, সাউথ পয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজকে বিশ্বমানের করার জন্য সব ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রতিবছর এই প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা সফরে বিদেশ পাঠানো হয়। গত জুলাই মাসেও যুক্তরাষ্ট্রের নাসাতে গেছে একদল শিক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠানটি এ উদ্যোগের পাশাপাশি এখন প্রয়োজন সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা। ছাত্র-ছাত্রীদের একটি বড় ক্যাম্পাস পাঠদানের সুযোগ দেবার জন্য সরকারের কাছে একখন্ড জমির জন্য আবেদন করা হয়েছে। জমিটি পাওয়া গেলে সাউথ পয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজকে সত্যিকার অর্থে একটি বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব হবে। উল্লেখ্য, বনানীর অস্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থাপিত এ আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ৭ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য ৮ শতাধিক শিক্ষক ও কর্মকর্তা কাজ করছেন।