রমজানের শিক্ষা মেনে চলা কর্তব্য

আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০১৩, ২০:২৯
বছরে একবার মুসলমানদের সওম সিদ্ধির মাস । এমাসে আমরা সব ধরনের পাপাচার থেকে দূরে থেকে রোজা রেখে এবাদতের মাধ্যেমে বিধাতার কাছে ্ক্ষমা প্রার্থনা করি সারা বছরের গুনাহ থেকে মাফ পাওয়ার জন্য। যার জন্য অনাহারে থাকা মানুষকে আমরা অনুভব করতে পারি।তাছাড়া পরিবারের সবাই মিলে ইফতার করা-সাহারী খাওয়া- একসাথে এবাদত করার মাধ্যেমে আরো বেশী হূদ্যতার বন্ধন সৃষ্টি হয়। রোজা নিয়ে একটু বিস্তারিত যদি আলোচনা করি- তাহলে বলব সব ধর্মেই রোজার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে -মুসলমানেরা রোজা বলে আর খৃষ্টান,বৌদ্ধ ,হিন্দু বা অন্য সব ধর্মের মানুষেরা রোজা শব্দটিকে উপোস বলে থাকে। ঘুরে ফিরে সব ধর্মেই এই রোজা বা উপোস থাকার কথা বলেছে এবং এর গুরুত্ব প্রায় সব ধর্মেই কাছাকাছি। যেমন - রোজা বা উপোস থেকে আল্লাহকে ডাকলে সাধনা সিদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনার কথা সব ধর্মেই গুরুত্বের সাথে বলা হয়েছে। আজ আমরা এক ধর্মের মানুষেরা অন্যধর্মের মানুষের প্রতি বিদ্বেষ মনোভাব নিয়ে কথা বলি—দেশের মধ্যে অরাজকতার সৃষ্টি করছি - ইসলাম মানব ধর্মকেই প্রাধান্য দিয়েছে। কে চোর-কে সাধু হয়ে জন্মাবে / কে কোন ধর্মে জন্মাবে সে আল্লাহই জানেন। বিধাতার ক্ষমতা নিয়ে বিরুপ কথা বলা পাপ। এটা সব ধর্মের মানুষেরা গভীরভাবে চিন্তা করে না। আমরা একই আল্লাহরই সৃষ্টি। আজ এই পবিত্র মাসে মুসলমানদের প্রতিটি ঘরে ঘরে রোজার তাত্পর্য নিয়ে ক’টা পরিবারে আলোচনা হয় ? পরিবারের মা- বাবা / বয়োজোষ্ঠরা যদি রোজার এই ৩০দিন যদি আলোচনা করে - রোজা পালন আমরা কেন করি / রোজা থেকে আমরা কি শিক্ষা পাই তাহলে প্রতিটি পরিবারের ছেলে মেয়েরা আদব -কায়দা এবং নমনীয় আচরনের অধিকারী হবে এতে সন্দেহ নাই। এভাবে প্রতিটি ধর্মেই যদি পালন করা হয় একই ফলই আসবে। বিধাতার দীদার লাভের জন্য আমরা রোজার মাসটাকে গুরুত্বের চোখে দেখে - সারা বছর এর মাহাত্ব্য যেন বজায় রাখতে পারি সেজন্য আমারা নিজের প্রতি এবং পরিবারের সবার প্রতি যেন যত্বশীল হই। আর পবিত্র রোজার মাস শেষে ঈদ। ধনী - গরীব সহ সব ধর্মের মানুষকে প্রাধান্য দিয়ে ইদের খুশি আমরা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে মানব ধর্মটাকে প্রধান্য দিয়ে সৃষ্টিকর্তার বন্দনা করেছি।