মিরপুরে দুটি নতুন ড্রেসিংরুম

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০১৩, ২১:১১
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম ও বিকেএসপি ঘুরে ২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনে বাংলাদেশের প্রস্তুতির ব্যাপারে নিজেদের সন্তোষ প্রকাশ করেছে আইসিসির প্রতিনিধিদল। এছাড়া বিশ্বকাপকে সামনে রেখে মিরপুরে আরও দুটি ড্রেসিংরুম নির্মাণ করতে বলেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। আজ দলটি সিলেট পরিদর্শনে যাচ্ছেন। স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) পরিদর্শক দলের প্রধান আইসিসির ইভেন্ট ব্যবস্থাপক ক্রিস টেটলি বলেন, ‘কিন্তু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখানে প্রতিদিন দুটি করে খেলা হবে। তাই চারটি ড্রেসিংরুম প্রয়োজন হবে। দুটি এর মধ্যেই রয়েছে, আরো দুটি নির্মাণ করতে হবে।’ এটা বাদ দিলে মিরপুরকে এক কথায় ‘অসাধারণ’ বলে মন্তব্য করেছেন টেটলি। ২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ, দুটি সেমিফাইনাল ও ফাইনালের ভেন্যু শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম। পুরুষ ও মহিলা দুটি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ও ফাইনাল একই দিনে এই মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। তৃতীয়বারের মতো ভেন্যু পরিদর্শনে এলো আইসিসি প্রতিনিধি দল। এতে টেটলি ছাড়াও রয়েছেন আইসিসি টুর্নামেন্ট পরিচালক ধীরাজ মালহোত্রা, আইসিসি কনসালটেন্ট ভ্যান ভুরেন ইউজেন এবং আইসিসি পিচ বিশেষজ্ঞ অ্যান্ডি অ্যাটকিনস। কেবল ভেন্যু পরিদর্শন নয় টিকেটিংসহ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অন্যান্য দিকগুলোও তারা দেখবেন বলে জানিয়েছেন টেটলি। শিগগির সাজকক্ষ নির্মাণ করা হবে জানিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিজাম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘এক দিনে দুটি ম্যাচ হবে বলে বাড়তি দুটি সাজকক্ষ প্রয়োজন হবে বলে ওনারা জানিয়েছেন। ভেন্যুর প্রয়োজনীয় সব সংস্কার কাজ চলছে।’ গতকাল শনিবার সাভারে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) নতুন দুটি মাঠও পরিদর্শন করে আইসিসি প্রতিনিধি দল। বিশ্বকাপের বিকল্প ভেন্যু হিসেবে বিকেএসপি ৩ ও ৪ কে প্রস্তুত রাখছে বিসিবি। রবিবার সিলেট, সোমবার ফতুল্লা এবং মঙ্গলবার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন তারা। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সব ভেন্যু ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আইসিসিকে বুঝিয়ে দিতে হবে বিসিবিকে। অন্য কোনো ভেন্যু নিয়ে সমস্যা না থাকলেও সিলেট ও কক্সবাজার নিয়ে সন্তুষ্ট নয় আইসিসি। এই দুই ভেন্যুর বিকল্প হিসেবে ফতুল্লা ও বিকেএসপির দুটি মাঠ প্রস্তুত রেখেছে বিসিবি।