ভরা বর্ষাতেও পশ্চিমের জেলাগুলোর নদনদীতে পানি নেই। কচুরি পানায় ঢেকে গেছে। পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। নষ্ট হচ্ছে জীব বৈচিত্র্য। কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা ও যশোর জেলার উপর দিয়ে বয়ে গেছে কালী, কুমার, ডাকুয়া, নবগঙ্গা, বেগবতী, হিসনা, ভৈরব, চিত্রা, কপোতাক্ষ, বেতনা, কোদলা যমুনা, সাগরখালী, মুচিখালী, চন্দনা, ব্যাঙ, ফটকী ও মাথাভাঙ্গাসহ ৩০টি নদ-নদী। নদ-নদীগুলোর মধ্যে গড়াই ও মাথাভাঙ্গা জীবিত আছে। বাকী নদীগুলো মানুষ ও প্রাকৃতিক সৃষ্ট কারনে মরে গেছে। এসব নদীর পানির উত্স ছিল পদ্মা। মাথাভাঙ্গার মাধ্যমে পদ্মা থেকে প্রবাহ পেত নদ-নদীগুলো। জিকে প্রকল্প বাস্তবায়নকালে ডাকুয়া ও কালী নদীর উত্স মুখে বাঁধ দেয়া হয়। তখন থেকে এ নদী দুটি মরে গেছে। অন্য নদী মাথাভাঙ্গা থেকে প্রবাহ পেত। মাথাভাঙ্গার উত্স মুখে চর জেগে উঠেছে। বর্ষা মৌসুমে সামান্য পানি পেলেও শুষ্ক মৌসুমে পানি পায় না।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কুষ্টিয়ার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ওবায়দুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুত ভৈরব পুনঃখননে ৭৩ কোটি টাকা ব্যয় সাপেক্ষ একটি প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে। এ টাকায় মেহেরপুর জেলায় ভৈরবের ২৯ কিলোমিটার খনন করার কথা আছে। কিন্তু প্রকল্পটি একনেক এর অনুমোদন না পাওয়ায় ঝুলে আছে।
