চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্সরে মেশিন, এ্যাম্বুলেন্স, ফিংগার এ্যাটেনডেন্স বিকল এবং ইসিজি ও জরুরি প্রসূতি সেবা (ইওসি) কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এরফলে চিকিত্সা সেবা নিতে আসা রোগীরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। এক্সরে ফিল্ম, প্লেট, অপারেটর সবই আছে। কিন্তু প্রায় চার বছর যাবত্ এক্সরে মেশিনটি বিকল হয়ে আছে।
এরফলে রোগীরা এক্সরে সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং বাইরে চড়ামূূল্য দিয়ে এক্সরে করতে হচ্ছে। প্রায় চারমাস থেকে বিকল রয়েছে এ্যাম্বুলেন্স। এরফলে মুমূর্ষু রোগীদের উন্নত চিকিত্সার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া দুরূহ হয়ে পড়ে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সক, কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের হাজিরা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত অক্টোবর মাসে ডিজিটাল পদ্ধতির ফিংগার এ্যাটেনডেন্স মেশিন স্থাপন করা হয়। কিন্তু চার মাসের মাথায় মেশিনটি নষ্ট হয়ে যায়।
ইসিজি মেশিন থাকলেও কার্ডিওলজি সার্জন ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না থাকায় ইসিজি চালু করা হয়নি। এদিকে ২০০১ সাল থেকে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি প্রসূতি সেবা (ইওসি) কার্যক্রম চালু থাকলেও এবং কার্যক্রমে সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে তিনবার পুরস্কারপ্রাপ্ত হলেও এনেসথেসিয়া ডাক্তার না থাকায় প্রায় দু’বছর যাবত্ ইওসি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এদিকে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল ও প্রয়োজনীয় উপকরণ থাকলেও অর্থ বরাদ্দ না থাকায় কার্যক্রম চলছে ৩১ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলাউদ্দিন বলেন, স্বাস্থ্য উপকেন্দ্রের চিকিত্সকরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সা সেবা দেন।
