২০১৬ তে চামড়া শিল্পনগরীর কাজ শেষ হওয়ার আশাবাদ

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০১৩, ২০:০৮
চামড়া শিল্প রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে সাভারে স্থানান্তরে বিলম্বের কারণ হিসেবে মামলা ও শিল্প মালিকদের একাংশকে দায়ী করেছেন শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া। গতকাল মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করে বলেন, চামড়া শিল্পের সম্ভাবনা নষ্ট করতে দেশি-বিদেশি মহল অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এরপরও সরকার এ কাজ এগিয়ে নিয়েছে। তিনি বলেন, আগামী ১৮ মাসের মধ্যে কেন্দ্রিয় বর্জ্য শোধনাগারসহ (সিইটিপি) নির্ধারিত সব অবকাঠামো নির্মাণ শেষ করে কমিশনিং, স্টেবিলাইজেশন এবং পরিচালনা কাজ জুন ২০১৬ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে। সংবাদ সম্মেলনে শিল্প সচিব মঈন উদ্দীন আবদুল্লাহ, বিসিকের (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন) চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার ও পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ২০০৩ সালে ১৭৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সরকার চামড়া শিল্পনগরী-ঢাকা প্রকল্প গ্রহণ করে। বর্তমানে এর খরচ বাড়িয়ে ১ হাজার ৭৮ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। খরচ বাড়ানোর কারণ জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, কমন ক্রোম রিকভারি ইউনিট ও সুয়ারেজ ব্যবস্থাসহ বেশ কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার ফলে খরচের প্রাক্কলন বাড়াতে হয়েছে। শিল্পমন্ত্রী বলেন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন পরিবেশগত কমপ¬ায়েন্স ইস্যুর প্রশ্ন তুলে বাংলাদেশ থেকে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য কেনার বিষয়ে নেতিবাচক মনোভাব দেখিয়ে আসছে। ট্যানারি স্থানান্তরে আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গ্রুপ হিউম্যান রাইট ওয়াচ এ বিষয়ে নেতিবাচক প্রতিবেদন পরিবেশন করে চামড়া শিল্পের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে। ফলে দেশের স্বার্থেই এ কাজ দ্রুত শেষ করা প্রয়োজন। ২০০৩ সালে পরিকল্পনা নেয়া হলেও এতদিনেও কাজ শেষ হয়নি এমন এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সিইটিপি নির্মাণে কাজ পাওয়া নিয়ে বার বার মামলার কারণে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে অনেক সময় লেগে গেছে। সিইটিপিসহ নতুন নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে হয়েছে। এছাড়া শিল্প মালিকদের একাংশ নানা অজুহাত তুলে এ প্রক্রিয়া আরও বিলম্বিত করেছে।