সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিং বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচকদের উচিত তাদের তরুণ ব্যাটসম্যানদের ব্যাপারে আরো ধৈর্য দেখানো। চলতি অ্যাশেজ সিরিজে আট ইনিংসে কেবল একবারই ৩০০ রান ছাড়াতে সক্ষম হয়।
এই সিরিজে এক টেস্ট বাকি থাকতেই স্বাগতিক ইংল্যান্ড ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে। বুধবার ওভালে সিরিজ সমাপনী টেস্টটি শুরু হবে।
পন্টিং বলেন, ‘আমাদের সব থেকে সেরা খেলোয়াড়দেরকে খুঁজে বের করতে হবে। সুযোগ দিতে হবে তাদেরকে। এমনকী যদি আমরা হারতে থাকি তাহলেও তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে।’
এবারের অ্যাশেজে অস্ট্র্রেলিয়ার স্বীকৃত ব্যাটসম্যানদের মধ্যে অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক (৩২) এবং ক্রিস রজার্সের (৩৫) বয়সের গড় ত্রিশ। অপরদিকে শেন ওয়াটসন (৩২), ওসমান খাজা (২৬), স্টিভ স্মিথ (২৪), এড কাওয়ান (৩১) এবং ফিল হিউজ (২৭); প্রত্যেকেই সিরিজ চলাকালে রানের খরায় ভুগেছেন। অস্ট্রেলীয় কোচ ড্যারেন লেহম্যান বলেন, ‘খেলোয়াড়দের শিখতে হবে। যদি তারা তা করতে না পারে, তাহলে আমরা এমনদের খুঁজে নেব যারা পারে।’
কিন্তু ১৬৮ টেস্টে ১৩,৩৭৮ রান করে ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়া পন্টিং লেহম্যানের এই কড়া কথার জবাবে বলেন,‘আপনি কয়েকজনের ব্যাপারে অজুহাত খুঁজে পাবেন। কিন্তু তরুণ ক্রিকেটাররা বিশ্ব ক্রিকেটের সবচাইতে বেশি চাপের একটা সিরিজে নিজেদের পথ খুঁজে নেয়ার চেষ্টা করছে। আপনি যদি এখন থেকে ছয়-সাত বছর আগে ফিরে যান, তাহলে দেখবেন ইয়ান বেল এবং আলিস্টার কুক সবেমাত্র আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রেখেছে। তারা কিন্তু রাতারাতি সফলতা পায়নি।’
পন্টিং মনে করেন হিউজ, খাজা এবং স্মিথ মিলিতভাবে মাত্র ৪৬টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। তারা দলে থাকলে আরো উপকৃত হবে। কিন্তু ১৭ ইনিংসে মাত্র ২৩.৩ গড়ে এই তিন ব্যাটসম্যান সর্বসাকুল্যে ৩৯৭ রান করেছেন।
সাবেক অজি অধিনায়ক বলেন, ‘তারাই যদি আমাদের সেরা খেলোয়াড় হয়ে থাকে, তাহলে এই রকম পরিস্থিতিতে তাদেরকে শিখতে হবে এবং নিজেদের আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে হবে, সারাক্ষণ আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকলে তো আর তা হবে না।’
তিনি আরো বলেন,‘এখন অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের সামনে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। কিন্তু আমি মনে করি লেহম্যানের কোচ হিসেবে নিযুক্তি ও দলে থাকা কিছু তরুণের মধ্যে আমি মনে করি অনেক মেধা আছে।’
