মুদ্রানীতি বাস্তবায়নের কৌশল সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দিতে আগামী বরিবার ব্যাংকার্স সভা অনুষ্ঠিত হবে। চলতি অর্থবছর নির্বাচনী বছর হওয়ায় অন্যান্য বছরের তুলনায় রাজনৈতিক অস্থিরতা বেশি থাকবে এমনটাই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এজন্য অস্থিরতার মধ্যেও উত্পাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর উপায় সম্পর্কে ব্যাংকারদের প্রতি বিশেষ নির্দেশনা থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, নির্বাচনী বছরে এসে এক ধরনের অনিশ্চয়তা থেকে উদ্যোক্তারা ঋণ নিচ্ছেন কম। ব্যাংকারদের মধ্যেও ঋণের চাহিদা তৈরির তেমন কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। এতে করে ঋণ প্রবৃদ্ধি একেবারে কমে এসেছে। গত জুন শেষে ঋণ প্রবৃদ্ধি নয় দশমিক ৪১ শতাংশে নেমেছে। আগের বছরের একই সময়ে যা ১৮ শতাংশের বেশি ছিল। এমন প্রেক্ষাপটে মুদ্রানীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ঋণ বিতরণ করতে বলা হবে। এছাড়া এবারের বৈঠকে সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে। পরিস্থিতি বুঝে ব্যাংকগুলো যেন ভালো বিনিয়োগ করে সে বিষয়ে বলা হবে।
এসবের পাশাপাশি বর্তমান সময়ে ব্যাংক খাতের ঘটে যাওয়া বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম রোধে ব্যাংকারদের নেয়া পদক্ষেপ শোনা হবে। এবারের বৈঠকে ঋণ ও আমানতের মধ্যে সুদ হারের ব্যবধান (স্প্রেড) আবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দেশিত সীমার বাইরে যাওয়ার কারণ তুলে ধরতে বলা হবে। এছাড়া ঋণ প্রবৃদ্ধি এবং ব্যবসা-বাণিজ্য পরিস্থিতি, খেলাপি ঋণের অবস্থা, মূলধন পরিস্থিতিসহ সার্বিক বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে। সাধারণত ব্যাংকার্স সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে গভর্নর ড. আতিউর রহমানের সভাপতিত্বে সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীরা ছাড়াও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকেন।
