প্রযুক্তিবান্ধব ক্যাম্পাস

নয়া প্রযুক্তি এখন হাতের মুঠোয়

আপডেট : ২০ আগস্ট ২০১৩, ১৯:৩০
এক হাতে গরম চায়ের কাপ। অন্য হাতে ল্যাপটপ। বন্ধুদের নিয়ে চুটিয়ে আড্ডা। গল্প আর গানের হারিয়ে যাওয়া। এ রকম দৃশ্য এখন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে। ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের কল্যাণে প্রযুক্তির ছোঁয়া এখন হাতের মুঠোয়। ‘দেখি দেখি আমার ফেসবুকে কতগুলো রিকোয়েস্ট- আরে দাঁড়াও, আমি আগে খেলার সর্বশেষ খবরটা জেনে নিই।’ এভাবেই প্রাণোচ্ছল আড্ডায় ল্যাপটপ হাতে ক্যাম্পাসের তরুণ-তরুণীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘুরে বেড়ায় গোটা পৃথিবী। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির বারান্দায় বসে ইন্টারনেট ব্রাউজিং করছিলেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী কুহু মান্নান। জানালেন, ল্যাপটপ নিয়ে বসে হয়ে যায়। কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল করার ঝামেলা নেই। নেই কোনো সিকিউরিটি কোডের বাধা। ব্রাউজ করা যায় যতক্ষণ খুশি ততক্ষণ। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের ছাত্র রাহাত রাফি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইবার ক্যাফেতে জায়গা পাওয়া রীতিমতো ভাগ্যের ব্যাপার। আগে কোনো অ্যাসাইনমেন্ট দিলে দৌড়াতে হতো ডেইরি গেট, কিংবা প্রান্তিক। আর এখন নিজের ক্যাম্পাস চত্বরে বসে কাজ করাটা অনেক সহজ। যেন পুরো বিশ্বটা হাতের মুঠোয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলের ছাত্রী সুফিয়া সুফি। কথা হচ্ছিল তার সঙ্গে। কী সুবিধা পেতে এখানে আসেন? জানালেন, ফেসবুকে বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়াও প্রয়োজনীয় বই, সফটওয়্যার, ছবি সংবলিত ডাটা ডাউনলোডে বিড়ম্বনা পেতে হচ্ছে না তাকে। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী বুশরা রাব্বি বলেন, ‘আগামী দিনের কর্ণধার ছাত্রসমাজ যখন পড়াশোনা বাদ দিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকে, তখন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি চত্বরের শিক্ষামূলক ইন্টারনেটের ডিজিটাল আড্ডা আমাদের নতুন করে স্বপ্ন দেখায়।’ সবার প্রত্যাশা নয়নাভিরাম সৌন্দয্যের ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তির উত্কর্ষে সৃজনশীলতার উদ্ভাস ঘটাবে।