বাংলাদেশ ফুটবল দল ২৫ আগস্ট নেপাল যাওয়ার আগে শেষ অনুশীলন ম্যাচ খেলবে আজ। প্রতিপক্ষ শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। এই ম্যাচটিও হবে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের আগল বন্ধ রেখে। কাউকে খেলাটি দেখতে দেয়া হবে না। মূলত সংবাদ মাধ্যমকে দূরে রাখতেই এমন রুদ্ধদ্বার অনুশীলন চান ডাচ কোচ লুডভিক ডি ক্রুইফ। কি কারণে তিনি এমনটি করছেন তা প্রকাশ করতেও নারাজ। আবার সংবাদ মাধ্যমকে দূরে থাকতে সবার সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও (বাফুফে)।
ফুটবলে এমনটা নতুন কিছু নয়। কখনো কখনো প্রতিপক্ষ যেন সব কিছু জেনে ফেলতে না পারে সেজন্য নিজেদের কৌশল গোপন রাখতে কোচরা প্রয়োজনে সংবাদ মাধ্যমকেও দূরে ঠেলে দেন। কিন্তু নিজেদের মাটিতে ক্রুইফের সামনে এখন কোনো বিদেশি প্রতিপক্ষ নেই। তাহলে কেন এই রাখঢাক ! ক্রুইফ যেটাই করুন না কেন, ফুটবলের মঙ্গলের জন্য সব কিছুই গ্রহণযোগ্য মনে করছেন বাফুফে কর্মকর্তারা।
শেষ প্রস্তুতি ম্যাচটি খেলতে শেখ জামালকে বেছে নিয়েছেন ক্রুইফ। অথচ ক্লাবটি আসন্ন পেশাদার লিগের জন্য তিনদিন আগে অনুশীলন শুরু করেছে। তাদের বেশির ভাগ খেলোয়াড়ই জাতীয় দলের ক্যাম্পে। দলের পুরানো ফুটবলার আর বিদেশিদের নিয়েই শেখ জামাল আজ বিকাল চারটায় ক্রুইফের জাতীয় দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলবে। এই ম্যাচেই হয় তো ক্রুইফ তার খেলোয়াড়দের শেষবারের মতো দেখে নিতে চান।
জাতীয় দল নেপালে যাওয়ার আগে হাতে আছে কেবল চারদিন। এখনও চূড়ান্ত দল ঘোষণা করতে পারেননি ক্রুইফ। খেলোয়াড়দের নিয়ে এখনও চলছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা। এ ম্যাচের পর সেরা একাদশ নির্ধারণ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
আজকের অনুশীলন ম্যাচে ক্রুইফ দেখবেন তার দল। একই যাত্রায় শেখ জামালের নাইজেরিয়ান কোচ যোশেফ আফুসি পরখ করবেন তার বিদেশি খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স। তিনি স্বদেশি ফুটবলার এনেছেন পেশাদার লিগে খেলানোর জন্য। হাইতির ফুটবলার সনি নর্দে সাথে এনেছেন স্বদেশি ফুটবলার। তারও একটা পরীক্ষা হয়ে যাবে। শেখ রাসেলে আগত বিদেশি ফুটবলারদের দেখে ক্লাব সভাপতি মঞ্জুর কাদের সিদ্ধান্ত নেবেন কাকে রাখবেন আর কাকে বাদ দেবেন।
