দুই ক্লাব থেকে অর্থ নিলে কঠিন শাস্তি

আপডেট : ২১ আগস্ট ২০১৩, ২২:২৭
পেশাদার ফুটবল লিগের যেসব খেলোয়াড় দুই ক্লাব থেকে অর্থ নিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন হচ্ছে। এ আইন নতুন মৌসুমের বাইলজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন লিগ কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মুর্শেদী। তবে বাইলজ এখনো অনুমোদন না হওয়ায় আরেক দফা পেছালো পেশাদার ফুটবলারদের দলবদল ও লিগ। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন আগেই জানিয়েছিলেন, একজন ফুটবলার দুই ক্লাব থেকে টাকা নিয়ে থাকলে তাকে ১০ বছরের জন্য সাসপেন্ড করতে চান। কত বছর কিংবা কি জরিমানা হতে পারে সেটা চূড়ান্ত না হলেও কাঠোর আইন প্রণয়ন হচ্ছে তা নিশ্চিত। গত ১৬ আগস্ট পেশাদার ফুটবল লিগের দলবদল শুরু হওয়ার কথা ছিল। সেটি হতে পারেনি কারণ ফুটবল শুরু হওয়ার আগে বাইলজটি অনুমোদিত হয়ে থাকে; কিন্তু বাফুফের লিগ কমিটি বাইলজ চূড়ান্ত অনুমোদন করিয়ে রাখতে পারেনি বলে ঘোষিত সময়ে খেলোয়াড় দলবদল বা খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশনের কাজটি স্থগিত রাখতে হয়েছে। গতকাল লিগ কমিটির সভা থাকলেও সেটি শুরুর পরই মুলতবি করা হয়। কারণ সভায় বাইলজ পড়ে ক্লাবগুলো সিদ্ধান্ত দিতে পারবে না বলে এর খসড়া কপি ক্লাব কর্মকর্তাদের হাতে তুলে দিয়ে ৪০ মিনিট পরই সভা মুলতবি করেন লিগ কমিটির চেয়ারম্যান। গতকাল লিগ কমিটির সভা মুলতবি করায় এখন সব কিছুই প্রায় নতুন করে শুরু করতে হবে। ক্লাবগুলো বাইলজ পড়ে সভায় যোগ দেবে। পরিবর্তন, পরিমার্জন, সংযোজন, বিয়োজন বলতে যা কিছু থাকবে সেগুলো অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে আলোচনা হবে আগামী শনিবারের মুলতবি সভায়। বাইলজ চূড়ান্ত করে পর দিন রবিবার বাফুফের জরুরি সভায় তা অনুমোদন করানো হবে বলে জানা গেছে। ফুটবল দুনিয়ার অন্যান্য দেশে লিগ শুরু হয়ে গেছে। অথচ বাংলাদেশে এখনো বাইলজই চূড়ান্ত করতে পারেনি লিগ কমিটি। পেশাদার ফুটবল লিগ এবার তিন স্তরে অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাত্ ফিরতি লিগের সাথে আরো এক রাউন্ড যোগ হবে। মোট তিন রাউন্ড খেলা হবে। প্রথম রাউন্ডের পর মধ্যবর্তী খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশন করানোর সুযোগ থাকবে। আগামী মৌসুমে পেশাদার লিগে খেলবে ১০ দল। রেলিগেশন হবে এক দল। পেশাদার লিগের মর্যাদার আসর থেকে আরামবাগ নেমে গেছে। উঠেছে চট্টগ্রাম আবাহনী ও ঢাকার উত্তর বারিধারা ক্লাব। বিদেশি খেলোয়াড়দের কোটা থাকছে সাতটি। চার জন খেলতে পারবেন। পেশাদার লিগের দ্বিতীয় স্তর, বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে দুইটি দল পেশাদার লিগে খেলবে।