আরপিও ধারা বাতিলে সিদ্ধান্ত আগামী সপ্তাহে :সিইসি

আপডেট : ২২ আগস্ট ২০১৩, ২১:২০
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমেদ বলেছেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ৯১ (ই) ধারা বাতিলের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী সপ্তাহে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। ধারাটি নিয়ে ইসি এখনও কাজ করছে। এক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। এটা আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে কি না সে বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা কাজ করছি। এক সপ্তাহের মধ্যেই আপনারা এ বিষয়ে জানতে পারবেন। বুধবার নির্বাচন কমিশনের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের পদোন্নতি সংক্রান্ত সাংগঠনিক কাঠামোর বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিলে ইসির ক্ষমতা প্রয়োগের বিধানটি রয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের (আরপিও) ৯১ (ই) ধারায়। ধারাটি বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইসি। গত ২৭ জুলাই গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও) চূড়ান্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর দুই দিন পর ২৯ জুলাই এতে গুরুত্বপূর্ণ ঐ সম্পূরক সংশোধনীটি আনে নির্বাচন কমিশন। এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে ফাইল আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য ইসি সচিবালয়ের আইন বিভাগেও পাঠিয়েছিল ইসি। তবে এখন পর্যন্ত আরপিও’র এ সম্পূরক সংশোধনী আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠায়নি ইসি সচিবালয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, দীর্ঘদিন পদোন্নতি বঞ্চিত ৬১২ জন উপজেলা ও থানা পর্যায়ের কর্মকর্তার পদকে সিনিয়র স্কেলে উন্নীত করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কাজ করছে। উপজেলা ও থানা নির্বাচন কর্মকর্তাদের পদোন্নতির সুযোগ সীমিত। মাঠ পর্যায়ে প্রায় ৬১২টি পদের বিপরীতে মাত্র ৮৮টি পদে পদোন্নতির সুযোগ আছে। এবার পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মকর্তাকে সিনিয়র স্কেলে উন্নীত করে তাদের হতাশা নিরসনের উদ্যোগ শুরু করেছি। উল্লেখ্য, ৩০১টি পদকে উন্নীতকরণের প্রস্তাব বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। এ নিয়ে সাংগঠনিক কাঠামো কমিটির সদস্যরা আলোচনা করেন। তিনি বলেন, কমিশনের প্রথম শ্রেণীর ৬১২টি পদের মধ্যে বিধি অনুযায়ী ৩৩ শতাংশ পদোন্নতির প্রাপ্য। এ হিসেবে যোগ্য আছেন ২০৫ জন। এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আদালত জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে যে রায় দিয়েছে তার কপি এখনো আমরা পায়নি। কপি পেলে তা পর্যালোচনা করে ইসিকে দলটির বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নেয়ার নিদের্শনা থাকবে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।