গফরগাঁও উপজেলার পাগলা টাংগাব ইউনিয়নে গত আড়াই মাসে ৩৪ বাড়িতে ডাকাতি সংঘটিত হলেও থানায় একটি মামলাও হয়নি। এ ঘটনায় লাখ লাখ টাকা লুটপাটের সাথে সাথে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। পাগলা থানার টাংগাব গ্রামের ষাট বছরের বৃদ্ধ আব্দুল গনিকে ডাকাতরা কুপিয়ে আহত করে।
একই গ্রামে কয়েক মাস পূর্বে ডাকাতের হামলায় আহত হয়েছে আব্দুল কাদির ও শাহাবুদ্দিন। একই অবস্থা আমাতরটেক গ্রামের আব্দুল হাই ও মোমেন দুই ভাই। বীরখারুয়া গ্রামে শুক্রবার রাতে কাজল মিয়ার বাড়ি ও বৃহস্পতিবার রাতে মশাখালী গ্রামের সামাদের বাড়িতে ও বুধবার গভীর একই গ্রামের আব্দুল কুদ্দুছের বাড়িতে ডাকাতি সংঘটিত হয়। ডাকাতির সময় কুখ্যাত ডাকাত রাজিব টাংগাব গ্রামে গণপিটুনিতে নিহত হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, ভুক্তভোগীরা বাদী হয়ে থানায় মামলা করতে গেলে উল্টো হয়রানির শিকার হতে হয়।
টাংগাব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন সাগর বলেন, তার নিজ গ্রাম দুবাসিয়া গ্রামে গত কয়েক মাসে ৩ বাড়িতে ডাকাতি হয়। পুরো ইউনিয়নে ৩০ বাড়িতে ডাকাতি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পাগলা থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, এসব ডাকাতি নয়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে অনেক ঘটনা ঘটছে।
