সকাল ১০টায় বিমান ধরতে হবে। সাত সকালে ঘুম থেকে উঠে এমিলি, জাহিদ, বিপ্লব, লিংকন, মিঠুন, মিশু, ওয়াহেদরা প্রস্তুত হয়ে গেলেন। সংবাদকর্মীরা ক্যামেরা নিয়ে ছুটোছুটি করতে লাগলেন খেলোয়াড়দের পেছনে। যাওয়ার আগে শেষ বারের মতো তাদের মতামত জানতে ব্যস্ত। বাফুফের বাগানে চেয়ার পেতে ফটো সেশনের আয়োজন করতে বাফুফের লোকজন ব্যস্ত। সবার ক্লান্ত চোখে মুখে ঘুম লেগে আছে। ফটো সেশনের মাঝে টাইয়ের নট বাঁধতে বাঁধতে তিন তলা থেকে ছুটে এলেন ডেনমার্ক প্রবাসী জামাল ভুঁইয়া। ছবি তুলে বাসে চড়ে ছুটলেন বিমান বন্দরের পথে।
গতকাল দুপুরেই কাঠমান্ডু পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ ফুটবল দল। কিন্তু অনুশীলন করেনি। বিশ্রামে ছিলেন খেলোয়াড়রা। কারণ জাতীয় দলের ফুটবলাররা এমনিতেই ইনজুরিতে পড়েছেন অনেকে। তার উপর সবাই ক্লান্ত। বিরামহীন অতিরিক্ত অনুশীলনে খেলোয়াড়রা ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে দুর্ভাবনা হচ্ছে ইনজুরি। অধিনায়ক মামুনুল ইসলামের ইনজুরির পর ফরোয়ার্ড সোহেল রানাও ইনজুরিতে পড়েছিলেন ঢাকা ছাড়ার আগের শেষ অনুশীলনে।
ক্রুইফ দলটাকে নিয়ে অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছেন। তাতে প্রায় সব ফুটবলারকে ভিন্ন ভিন্ন পজিশনে খেলিয়েছেন। দেখতে চেয়েছেন তারা কে কোথায় মানিয়ে নিতে পারেন। লেফট ব্যাক মিশু জানিয়ে গেলেন তিনি যে কোনো পজিশনে খেলতে পারবেন। কোচ তাকে যে কোনো জায়গায় খেলাতে পারবেন। ডাচ কোচ ক্রুইফও বলেছেন, মিশুকে তার পজিশনে খেলাবেন। জাতীয় দলের তরুণ ফুটবলার তকলিস আহমেদের উচ্ছ্বাস বেশি। বলছিলেন আমরা ভালো খেলবে। কারণ গত মার্চে সেখানে খেলে এসেছি। মানিয়ে নেয়ার কোনো ঝামেলা থাকবে না।’ সাফ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে নেপালে গেছেন অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম। তিনি দেশবাসীর দোয়া চাইলেন। বললেন, আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন সালাহউদ্দিন ভাইয়ের হাত থেকে আমরা যেন ট্রফি নিয়ে আসতে পারি।’ প্রথম ম্যাচ নেপালের বিরুদ্ধে ৩১ আগস্ট। কিন্তু বাংলাদেশের অধিনায়ক খেলতে পারবেন কিনা তা নিশ্চিত নয়। নেপালের আগ পর্যন্ত মামুনুলকে পর্যবেক্ষণে রেখে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। মামুনুল মাঠে না নামতে পারলে সেখানে মোনায়েম খান রাজুকে সেরা একাদশে দেয়া হতে পারে।
