ইনজুরি আক্রান্ত লিওনেল মেসির অনুপস্থিতি যেন দারুণভাবে উপলব্ধি করতে শুরু করেছে বার্সেলোনা। ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার আদ্রিয়ানোর একমাত্র গোলে লা লিগা চ্যাম্পিয়নরা গত রবিবার রাতে হারায় মালাগাকে।
ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই সেই চিরপরিচিত বার্সেলোনা ছিল অনেকটাই অচেনা। মালাগার গোলমুখের কাছে এসে বারবারই খেই হারিয়ে ফেলছিলেন জাভি ইনিয়েস্তারা। তবে সুপার কাপে নিজেদের সর্বশেষ ম্যাচের মতো এদিনও ভাগ্য দারুণভাবে কাজ করেছে তাদের পক্ষে। ম্যাচের ৪৪ মিনিটে যে গোলটি খেলার ভাগ্য গড়ে দেয় সেটি নিয়ে মালাগার গোলরক্ষক উইলি কাবালেরো আক্ষেপ করতেই পারেন। ডি বক্সের বাইরে থেকে নেয়া আদ্রিয়ানোর শটটি মূলত উইলির হাত ফসকেই জালে জড়ায়।
যদিও বিরতির পরে মালাগা দারুণ দুটি সুযোগ নষ্ট না করলে ম্যাচের ফলটা অন্যরকমও হতে পারতো। খুব কাছ থেকে নেয়া ফ্যাব্রিসের বা পায়ের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এরপর সেবাস্টিন ফার্নান্ডেজের হেড জমা হয় বার্সা গোলরক্ষক ভিক্টর ভালদেসের হাতে।
তবে এই পারফরম্যান্স যে মোটেই বার্সেলোনা সুলভ নয়, ম্যাচ শেষে সেটি অকপটেই স্বীকার করলেন দলের তারকা মিডফিল্ডার সেস ফ্যাব্রেগাস। পরবর্তী ম্যাচগুলোতে জিততে হলে কাতালানদের পারফরম্যান্সের অবশ্যই উন্নতি করতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রথমার্ধে আমরা ভালই খেলেছি এবং আমাদের আরো গোল করা উচিত ছিল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে সত্যিকার অর্থেই আমরা ছন্দ হারিয়ে ফেলেছিলাম। এর মূল কারণ হিসেবে আমার কাছে মনে হয় খেলোয়াড়রা পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছিল। শেষ পাঁচ মিনিট ম্যাচ ধরে রাখতে আমাদের সত্যিই খুব কষ্ট হয়েছে। তবে মাঝে মাঝে এমন কঠিন পরিস্থিতির জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। শেষ পর্যন্ত জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে পেরে আমরা স্বস্তিই অনুভব করছি।’
ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমারকে মূল একাদশে না খেলিয়ে বার্সা ম্যানেজার জেরার্ডো মার্টিনো মেসির জায়গায় নামিয়েছিলেন ফ্যাব্রেগাসকে। অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে স্প্যানিশ সুপার কাপের ম্যাচের চাইতে এ ম্যাচে পরিবর্তন ছিল আরো দুটি। সার্জিও বাসকেটস এবং ডানি আলভেসের স্থানে নামেন অ্যালেক্স সং এবং আদ্রিয়ানো। তবে ম্যাচের শুরু থেকেই মেসির অনুপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
