অভিনয়ে মুগ্ধতার কেষ্ট

আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০১৩, ১৯:৪৭
কুমারখালির সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অতি পরিচিত মুখ অনিল কুমার দাস ‘পলাশীর পরে’ যাত্রাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন। অভিনয় দেখে মুগ্ধ হয়ে দেবী প্রসাদ চক্রবর্তী অনিল কুমার দাসকে মোহিনী মিলে চাকরি দেন। ১৯৬১ সাল হতে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত সাংস্কৃতিক কর্মী হিসেবে অনিল দাস মেহিনী মিলে চাকরি করেন। কুষ্টিয়া পরিমল থিয়েটার ও কুমারখালির রুপালি সাংস্কৃতিক সংঘের একজন সক্রিয় সদস্য হয়ে তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকার মঞ্চে দুই শতাধিক যাত্রা ও তিন শতাধিক নাটকে অভিনয় করেন। ১৯৬৯ সাল হতে এক বছর সংগীত পরিচালক সুবল দাসের সহকারী হিসেবে কাজ করেন। কুমারখালি পৌর এলাকার কাজিপাড়া আদিবাসি পল্লীতে ১৯৩৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন অভিনেতা ও কণ্ঠশিল্পী অনিল দাস। শৈশবে বাবা মারা যাওয়ায় তেমন একটা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেননি। কুমারখালি জেএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়ার পর আর এগোতে পারেননি তিনি। কিশোর বয়সে ‘শ্রীকৃষ্ণ যমুনা’ যাত্রায় অভিনয়ের মধ্যদিয়ে তিনি অভিনয় জগতে প্রবেশ করেন। স্ত্রী জোসনা দাস ও ছেলে শ্যামল দাসকে সঙ্গে নিয়ে তিনি কুমারখালির আদিবাসী পল্লীর নিজ ভিটায় বসবাস করেন। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০১১ সালে কুমারখালি থিয়েটার অনিল কুমার দাসকে পদক প্রদান করে।