কাঠমান্ডুতেও ইনজুরির সমস্যায় বাংলাদেশ দল

আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০১৩, ২২:১৭
আগামী শনিবার মাঠে গড়াবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। হাতে আছে দু’দিন। অথচ এখনও ইনজুরি যেন বাংলাদেশ দলের ফুটবলারদের পিছু ছাড়ছে না। আবারও ইনজুুরিতে পড়েছে জাতীয় দলের গোলকিপার শহিদুল আলম সোহেল। এ কারণে ঢাকা থেকে উড়িয়ে আনা হয়েছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের গোলরক্ষক জিয়াউর রহমান জিয়াকে। বাংলাদেশ ফুটবল দল গত রবিবার নেপালে এসেছে। আর পর দিনই অনুশীলনে পড়ে যান সোহেল। দুর্ভাগ্য সোহেলের। ম্যাচে নামার প্রস্তুতি নেয়ার সময় দল থেকে বাদ পড়লেন এই তরুণ গোলকিপার। সোহেলের পরিবর্তে গতকাল বিকালেই নেপালে উড়িয়ে আনা হয়েছে আরেক গোলরক্ষক জিয়াকে। দলে এখন গোলকিপার বিপ্লব, মামুন খান রয়েছেন, সাথে যোগ দিলেন প্রাথমিক দলে থাকা জিয়া। চূড়ান্ত দল গড়তে গিয়ে তাকে বাদ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ভাগ্য তাকে আবার টেনে এনেছে দলে। একাদশে থাকবেন কিনা সে নিশ্চয়তা নেই। তবে রিজার্ভ বেঞ্চ শক্তিশালী রাখতে শেখ জামালের গোলরক্ষককে আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জিয়া গতকাল বিকালে বাংলাদেশ দলের আবাসস্থল হোটেল এভারেস্টে পৌঁছে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন এভাবে হঠাত্ করে দলে ডাক পাওয়া তাকে চমকে দেয়। জাতীয় দল গতকাল বিকালে অনুশীলন করলেও সোহেল ছিলেন মাঠের বাইরে। জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে বেশি কথা বলেননি। মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় বলে গেলেন, ‘দেশে ফিরে যাচ্ছি।’ ডাচ কোচ ক্রুইফও তাকে সংবাদ মাধ্যমের সাথে কথা বলতে দিচ্ছেন না বলে জানা গেছে। হোটেল রুমে ফিরে একাকি সময় কাটাচ্ছিলেন। বাইরে আসতে চাইছিলেন না তিনি। সোহেলের ব্যাপারে দলের সাথে থাকা ডাক্তার আল ইমরান জানান প্রাথমিকভাবে যে সমস্যা ধরা পড়েছে সেটা খুব বেশি কিছু নয়। তারপরও গোলকিপার সোহেল সাফে খেলতে পারবে না। সোহেলের কুচকিতে টান লেগেছে বলে জানিয়ে ডাক্তার ইমরান বলেন সোহেলকে তিন সপ্তাহ বিশ্রাম নিতে হবে। ইনজুরি সাফে আসা দলটাকে বিরাট সংকটে ফেললো। ইনজুরির কারণে এর আগেই বাদ পড়েন কেষ্ট। মামুনুল ইসলাম এবং সোহেল রানা এখনও ফিট হয়ে উঠতে পারেননি। ওয়াহেদও একটা সময় ইনজুরিতে ছিলেন। সাফের জন্য প্রস্তুতি নেয়া জাতীয় ফুটবল দলের ফুটবলাররা খুব একটা সুস্থ আছেন এমনটা বলা যাবে না। বড় কোনো ব্যথা না পেলেও সবাই খেলে যাচ্ছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক খেলোয়াড় মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনাহীন অতিরিক্ত অনুশীলনই ইনজুরির বড় কারণ ।