যেখানে ইচ্ছে আমি সেখানেই যেতে পারি।
ইচ্ছে হলে কক্সবাজার।
ইচ্ছে হলে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায়
অথবা, ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের
সেই বাড়িটিতে।
যেখানে একদিন আমাকে নিয়ে গিয়েছিলো
শেখ শহিদুল ইসলাম,
১৯৬৫ সালের কোনো এক মুগ্ধ শীতসন্ধ্যায়,
তার মামার বাড়িতে।
সেদিন মামা আর মামীকে স্বচক্ষে দেখলাম,
দু’জনাই কথা বললেন কিছুক্ষণ
ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র এই যুবকের সাথে।
খাওয়ালেন টুঙ্গীপাড়ার বিখ্যাত
আউশ আমন ধানের সুস্বাদু মুড়ি,
সঙ্গে খেজুরের গুড়।
সেই মামাকে দেখে এলাম টুঙ্গীপাড়ায়,
মামীমাকে দেখলাম
সবুজ চাদরে ঢাকা
বনানীর নিভৃত গোরস্থানে।
কথা হলো টুঙ্গীপাড়ায়—এবং বনানীতে।
বললাম, দু’জনকেই—
থাকবেন অযুত নিযুত বছর, যতোদিন থাকবে
আপনার প্রিয় নৌকা, প্রিয় নদী।
মধুমতি।
