উড়াল জানে না পাখি তবুও পাখি

আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০১৩, ১৯:১৯
নিজেরই পদাবলী হয়ে সমস্ত উড়াল ছেড়ে... সেও এক পাখি আজ, দুপুরের আলো জ্বেলে পরিধেয় খুলে ধরে... পাখিটি আমার নিঃসংকোচে। হূদয়হীনার হূদয় নিতে আসা বেকুবেরা তার উড়ুসান্নিধ্যে এসে হাঁটু গেড়ে বসে। বলে, এখানে সমুদ্র কোথায়? উড়াল কোথায়? এখানে ফিসফিসিয়ে রাত নামে না বুঝি? দুষ্ট লোকেরাই সমুদ্র সান্নিধ্য চেয়ে তার নদীতে নামে, তাদের যত দুঃখ-বেদনা আছে তারা তা তার পায়ের কাছে রেখে, হূদয় চাই বলে তার শরীরে চকমকি পাথর ঘষে। অবশেষে আগুন জ্বালানো না হলে তারাই তাকে সরিয়ে দেয়। তারাই সূর্যাস্তের লাল ছায়া শরীরে মেখে হয়ে ওঠে অরণ্য ভেদ করে চলে যাওয়া এক অনন্য বুনোপথ। দাম যা চাও তা-ই দিতে রাজি, শুধু একবার তোমার হূদয়তাঁতের যথার্থ তাঁতি হতে দাও। ইহাতে সূর্যমুখীর কোনো আহ্বান থাকে না। অনন্ত যাত্রা থাকে না। ব্যাপ্তি থাকে না। বেদনাবিধুর নামে কোনো স্বর্গও থাকে না। শুধু একটি মাংসপিণ্ডের উপস্থিতি থাকে। তারপরও সে একটি সমুদ্র পাখি, প্রতিদিনের জন্য যেন... এক লুট হওয়া মাছ, যেন রবীন্দ্র অরণ্যের এক বিধুর চাঁদ যা আমরা একই পঙিক্ততে প্রতিদিন দেখি