সিপিএলের সেরা একাদশে সাকিব

আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০১৩, ২২:০৩
সাকিব আল হাসানের মুকুটে আরেকটা পালক বলা যায় এটাকে। যদিও ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) ব্যাটে নিজের সেরা সময়টা কাটাতে পারেননি; তারপরও রেকর্ড বোলিং পারফরম্যান্সের জোরেই টুর্নামেন্টের সেরা একাদশে জায়গা হয়েছে এই বাহাতি অলরাউন্ডারের। বারবাডোজ ট্রাইডেন্টের হয়ে খেলা এই বাংলাদেশী একাদশে আট নম্বরে অর্থাত্ বোলার হিসেবেই জায়গা পেয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজে ৩০ জুলাই থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা সিপিএলে কমপক্ষে আট ম্যাচ খেলেছেন এমন খেলোয়াড়দের বিবেচনায় নিয়ে টুর্নামেন্টের একটি সেরা একাদশ করা হয়েছে। এই একাদশ নির্বাচন কমিটিতে ছিলেন ম্যাচ রেফারি মাইক প্রক্টর, সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিজ তারকা জেফ্রি ডুজন, ধারাভাষ্যকার মাইক হেসম্যান ও কেইগ কোজিয়ার, আম্পায়ার বিলি বাউডেন, জোয়েল উইলসন ও দানেশ রামদিন। সাকিবের দল বারবাডোজ থেকে ৩ জন খেলোয়াড় ঠাঁই পেয়েছেন একাদশে; এ ছাড়া দ্বাদশ ব্যক্তিও নির্বাচিত হয়েছেন বারবাডোজ থেকে। জ্যামাইকা ও গায়না থেকেও ৩ জন করে ক্রিকেটার আছেন একাদশে। বাকি দুই ক্রিকেটার এসেছেন অ্যান্টিগা ও সেন্ট লুসিয়া থেকে। টূর্নামেন্টটা অলরাউন্ডার হিসেবে খেলতে গেলেও বল হাতে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেরা বোলার হয়ে ফিরেছেন সাকিব। পুরো টুর্নামেন্টে বারবাডোজের হয়ে ৮ ম্যাচ খেলে ১১ উইকেট নিয়েছেন ১৪২ রানের বিনিময়ে। এর মধ্যে এক ম্যাচেই ৪ ওভারে ৬ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন। সিপিএলের সেরা একাদশ আন্দ্রে ফ্লেচার (সেন্ট লুসিয়া), ক্রিস গেইল (জ্যামাইকা), লিন্ডল সিমন্স (গায়না), শোয়েব মালিক (বারবাডোজ), জেমস ফ্রাঙ্কলিন (গায়না), আন্দ্রে রাসেল (জ্যামাইকা), মারল স্যামুয়েলস (অ্যান্টিগা), সাকিব আল হাসান (বারবাডোজ), রায়াদ এমরিত (বারবাডোজ), কৃশমার সান্তেকি (গায়না), মুত্তিয়া মুরালিধরন (জ্যামাইকা)। দ্বাদশ খেলোয়াড়: অ্যাশলি নার্স (বারবাডোজ)।