৩০ হাজার কর্মী নেবে ইরাক

আপডেট : ৩১ আগস্ট ২০১৩, ২২:৪০
বাংলাদেশ থেকে ৩০ হাজার কর্মী নিতে ইরাকের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে আবার শ্রমিক নিতে যাচ্ছে ইরাক। শনিবার সকালে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ইরাকের পক্ষে দেশটির শ্রম ও সমাজ বিষয়ক মন্ত্রী নাসের আল রুবাঈ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। শ্রমমন্ত্রী নাসের আল রুবাঈ নয় সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। পরে সাংবাদিক সম্মেলনে এই চুক্তি স্বাক্ষরের কথা জানানো হয়। সম্মেলনে আরো জানানো হয়, প্রতিনিধি দলটি ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে থাকবেন। সমঝোতা স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ৮ সেপ্টেম্বর ইরাকের একটি দল আসবে বাংলাদেশে। তারা এক হাজার কর্মী নির্বাচন করে ইরাকে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করবে। এরপর পর্যায়ক্রমে মোট ৩০ হাজার কর্মী নেয়া হবে বাংলাদেশ থেকে। শ্রমিকদের খরচ কমাতে বাংলাদেশ ও ইরাকের মধ্যে সরাসরি বিমান চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও সম্মেলনে জানানো হয়। সম্মেলনে আরো জানানো হয়, ইরাকে কী ধরনের কাজে শ্রমিকদের পাঠানো হবে এবং তাদের বেতন কত হবে- সে বিষয়ে কিছু এখনো চূড়ান্ত হয়নি। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত এক হাজার শ্রমিক প্রেরণের সময়ে কত টাকা খরচ হবে তা নির্ধারণ করা হবে। সরকারিভাবে বিদেশে যেতে আগ্রহী সাড়ে ১৪ লাখ ব্যক্তির যে তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে, সেখান থেকেই পর্যায়ক্রমে ইরাকে লোক পাঠানো হবে বলে জানানো হয়। মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর জন্য এই নিবন্ধন করা হয়েছিল। মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালে সরকারিভাবে বিদেশে লোক পাঠানো শুরু করে বাংলাদেশ। তখন সবার আগে এগিয়ে এসেছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাক। পরবর্তী সময়ে যুদ্ধসহ নানা কারণে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক পাঠানো কমে আসে। দীর্ঘদিন পর তা আবারো চালু হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।