বিদেশি অভিনেতারা আসছেন কিন্তু কঠোর গোপনীতায়...!

আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:৪৪
গেল ঈদের সমকালীন কলকাতা প্রসেনজিতের ঝটিকা সফর ও ২৫টি চলচ্চিত্র বিক্রি নিয়ে বেশ আলোচনা তৈরি হয়েছিল। তবে তা সিনিয়র কিছু শিল্পীদের বাধায় আর বেশি মাথাচাড়া দিতে পারেনি। এ ছাড়াও ঢাকার বড় বড় সিনেপ্লেক্সে নিরীক্ষামূলক হিন্দি চলচ্চিত্র মুক্তি দেওয়ার একটি পরিকল্পনা চলছে। সব মিলিয়ে এই পরিকল্পনার বাইরেও বিচ্ছিন্নভাবেই ভারতীয় শিল্পীদের নিয়ে যৌথ প্রযোজনায় চলচ্চিত্র নির্মিত হচ্ছে। বিস্ময়কর ব্যাপার হলো সেখানেও রাখা হচ্ছে গোপনীয়তা। এর আগে প্রসেনজিতের ঢাকায় আসার খবরটিও যেমন বিনোদন দুনিয়ায় ঢালাওভাবে জানানো হয়নি এমনকি কোনো প্রেস কনফারেন্স করা হয়নি। তেমন সম্প্রতি রুবাইয়াত্ হোসেনের নতুন চলচ্চিত্র ‘আন্ডার কনস্ট্রাকশন’-এ অভিনয় করছেন বলিউডের প্রখ্যাত অভিনেতা রাহুল বোস। কিন্তু তার সাথেও এক ধরনের লুকোচুরি খেলা চলছে। ঢাকায় টানা ১৫ দিন অবস্থান করলেও তাকে মিডিয়ার সামনে আনা হচ্ছে না। শুটিং লোকেশনের ক্ষেত্রে রাখা হচ্ছে কঠোর গোপনীয়তা। কেন কী উদ্দেশ্যে এই গোপনীয়তা রাখা হচ্ছে তা বুঝা মুশকিল। এ প্রসঙ্গে নির্মাতা রুবাইয়াতের সাথে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর রুবাইতের মায়ের সাথে ফোনে কথা বললে, তিনিও ছবিটি এবং নির্মাতার সাথে কথা বলানো যাবে না বলে ফোন কেটে দেন। গত কয়েকদিন ধরেই মিডিয়ার সাথে এই বিমাতাসুলভ আচরণ সবাইকে অবাক করেছে। উল্লেখ্য, এর আগে রুবাইয়াত পরিচালিত ‘মেহেরজান’ চলচ্চিত্রটি বিতর্কের চাপে সিনেপ্লেক্স থেকে প্রদর্শনী বন্ধ করা হয়। পরিবেশক আশীর্বাদ চলচ্চিত্র তাদের পরিবেশনা স্বত্ব তুলে নেয় বিতর্ক থেকে নিজেদের বাঁচাতে। ‘আন্ডার কনস্ট্রাকশন’ রুবাইয়াতের দ্বিতীয় চলচ্চিত্র। কিন্তু নির্মাতার এই ধরনের আচরণ আরও কিছু নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। তাই একদিকে যৌথ প্রযোজনার ছবির গন্ধ যেমন বাতাসে ছুটে বেড়াচ্ছে। অন্যদিকে সিনেপ্লেক্সে হিন্দি ছবি প্রদর্শনীর নিয়মেও যেন একটু ধোঁয়াশা করে রাখা হয়েছে। তারা আসছেন কিন্তু যেন কঠোর কোনো গোপনীয়তার ভেতর দিয়ে!