খেলা দেখে কান্না পাচ্ছিল

আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৫১
ইনজুরির কারণে খেলতে না পারলে মাঠের বাইরে থাকা একজন ফুটবলার কতটা কষ্ট পান তা হাড়ে হাড়ে অনুভব করছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম। পুরো মাঝমাঠ ফাঁকা ছিল। মামুনুল ইসলাম মাঠে থাকলে অনিল গুরুং, রোহিত চান্দ, ভারত কাওয়াস, সাগর থাপারা মাঝমাঠে এভাবে দখল নিতে পারতেন না। হয় তো তারপরও বাংলাদেশ ম্যাচটা হারতো। তবে এতো সহজে গোলের দেখা পেত না স্বাগতিকরা। এ কথাটা নেপালী ফুটবলাররাও বোঝেন। কাল দুপুরে হোটেল লবীতে নেপালী ফুটবলার সন্দ্বীপ রাজ বলছিলেন, ‘তোমাদের মাঝমাঠ আমাদের হাতে তুলে দিয়েছ বলেই আমরা ম্যাচটা হাতে পেয়েছি।’ নেপালের একতরফা খেলা ভুলতে পারছিলেন না মামুনুল। তারও নাকি ম্যাচ শেষে রাতে ঘুম হয়নি, ‘বলছিলেন কিসের খাওয়া আর ঘুম। এভাবে ম্যাচ হারলেও নাওয়া-খাওয়া সবই বন্ধ হয়ে যায়।’ খেলা শুরু হওয়ার আগ থেকেই খারাপ লাগছিল মামুনুলের ‘মনে হয়েছিল নেমে যাই। আমি নামার চেষ্টাও করেছিলাম। বল নিয়ে ছুটোছুটিও করেছিলাম। কিন্তু ব্যথা হয় পায়ে’। বাংলাদেশ ফুটবল দল যখন নেপালের বিরুদ্ধে গোল হজম করে সে সময় মামুনুলের নাকি কান্না পাচ্ছিল। তিনি বলেন, ‘আমার কান্না পাচ্ছিল। ৯৯ সাফে মালদ্বীপের কাছে দুই গোল খেয়ে বাংলাদেশ দুই গোল শোধ করেছিল।’ তার মনে হয়েছিল সেটাই আবার হতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশ অধিনায়কের মতে, এমনটা না হওয়ার কারণ-‘আমরা প্রেসিং ফুটবল খেলতে পারিনি। আক্রমণ গড়তে পারিনি। ওরা (নেপাল) বল উইন করেছে। প্রেসিং ফুটবল খেলেছে। যেটা গোলের বল না, সেটাই গোল হয়েছে। মাঠে নেমে নিজেদের কথা শোনেনি; কারণ ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ হাজার দর্শকের চিত্কারে কোনো কিছুই শোনা যায় না। পেছনে দাঁড়িয়ে ডাকলেও শুনতে পাওয়া যায় না। আসলে নেপালের বিরুদ্ধে আমাদের খারাপ দিন গেছে।’ ভারত অনেক শক্তিশালী দল, বর্তমান চ্যাম্পিয়ন তারা। ভারতের বিরুদ্ধে মামুনুল ইসলাম মাঠে নামতে পারবেন কিনা তারও নিশ্চয়তা নেই। তাছাড়া গতকাল দলের অন্য ফুটবলাররা যখন অনুশীলন করছিলেন সে সময় তিনি ছিলেন মাঠের বাইরে।