ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বাজড়া গ্রামের মৃত আসরাফুজ্জামান টুকু মাষ্টারের বাড়িতে আর্সেনিক মুক্ত নলকূপ বসানো নিয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ করেছে তার বিধবা স্ত্রী মমতাজ বেগম। ২০১১ সালের ১৯ জুলাই টুকু মাষ্টারের বাড়িতে একটি আর্সেনিক মুক্ত নলকূপ স্থাপন করে উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই নলকূপে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক ও আয়রণ থাকায় নলকূপটি সম্পূর্ণ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ১’হাজার ফিটের মধ্যে নলকূপ বসানোর কথা থাকলেও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে চাহিদা ও প্রয়োজন মত গভীরতা না দিয়ে মাত্র ৪’শ ৮০ ফিট গভীরতা দেয়। যার কারণে আর্সেনিকের মাত্রা দাঁড়ায় ৭০ পিপিএম। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে আবার অনেক কাঠ-খড় পুড়িয়ে ওই অধিদপ্তর থেকে ৩০ মে ২০১৩ আর একটি আর্সেনিক মুক্ত নলকূপ বসানো হয়। কিন্তু এ বছরে বসানো নলকূপটির পানিতে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক ও আয়রণ থাকায় পানি ব্যবহার করতে পারেনি বিধবার পরিবার। পরে উপজেলা জনস্বাস্থ্য অফিস থেকে মেপে দেখা যায় গভীরতা দেয়া হয়েছে মাত্র ৫’শ ফিট। একের পর এক প্রতারণায় অতিষ্ঠ হয়ে অফিসে তিনি অভিযোগ দিলে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোঃ লুত্ফর রহমান পানি ভালো পাওয়ার শর্তে অতিরিক্ত ৪০ হাজার টাকা দাবি করে। উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী লুত্ফর রহমান এ সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন।
