গত কয়েক মৌসুম ধরেই ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে বিদেশি কার্যকর ক্রিকেট আমদানির জন্য দলগুলোর প্রধান ভরসা ছিল পাকিস্তান। পাকিস্তানের এক ঝাক মধ্যম সারির খেলোয়াড়সহ কয়েকজন তারকা ক্রিকেটার একেবারে নিয়মিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন ঢাকার ক্রিকেটে। কিন্তু এবার বিপিএলের মতো ঢাকা প্রিমিয়ার লিগও সম্ভবত পাকিস্তানী ক্রিকেটারদের ছাড়াই হতে যাচ্ছে। গত ক’দিন ধরেই আবার আলোচনায় থাকা এই বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্তমূলক কিছু না বললেও তেমনই ইঙ্গিত দিলেন ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপুলিশের (সিসিডিএম) চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস।
পাকিস্তানের সঙ্গে এই সংকট চরম আকার ধারণ করেছে বাংলাদেশের সেখানে প্রতিশ্রুত সফর বাতিল হওয়ায়। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বিতীয় আসরের ঠিক আগে আগে পিসিবি সিদ্ধান্ত নেয় তারা বাংলাদেশে কোনো খেলোয়াড় পাঠাবে না। বিসিবি সভাপতি পরে ঘোষণা দেন, বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে তারাও আর পাকিস্তানী খেলোয়াড় অনুমোদন করবেন না।
মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে গতকাল এই প্রসঙ্গ উঠলে জালাল ইউনুস বললেন, এ ব্যাপারে আসলে পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন অন্তত হয়নি, ‘গত বিপিএলে পাকিস্তান শেষ মুহূর্তে তাদের কোনো ক্রিকেটার দেয়নি। এখন নতুন করে আমাদের কোনো সিদ্ধান্ত নেই যে, এই লিগে আমরা পাকিস্তানের কোনো খেলোয়াড় অনুমোদন করবো কি না।’
পাকিস্তানী খেলোয়াড়দের বিষয় বাদ দিলে এখন প্রিমিয়ার লিগের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হল বৃষ্টি। এই চ্যালেঞ্জের কথা মানলেন জালাল ইউনুসও। তবে তিনটি মাঠ প্রস্তুত রাখা ও রিজার্ভ ডে রাখার কারণে আশাবাদী মনোভাব নিয়েই এগোচ্ছেন তারা, ‘বৃষ্টি আমার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে নির্ধারিত সময়েই লিগ শুরুর প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছি আমরা। বিকেএসপির দুই নম্বর মাঠ, বগুড়া ও রাজশাহীতে খেলা হবে। বগুড়া খুব ভালো মাঠ। রাজশাহী মাঠের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা খুব ভালো। একটি করে রিজার্ভ ডে আছে। বৃষ্টিতে যেখানে খেলা বন্ধ হবে, পরদিন সেখান থেকেই খেলা শুরু হবে।’
এছাড়া ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ফতুল্লা স্টেডিয়াম ও ২১ তারিখের পর মিরপুর স্টেডিয়াম প্রিমিয়ার লিগের জন্য পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন সিসিডিএম চেয়ারম্যান।
