পাঁচ প্রশ্ন :মম

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:১১
কেমন যাচ্ছে আপনার সময়? আমি বরাবই ভালো থাকি, আর ‘সময়’ সব সময়ই আমার জন্য পজিটিভ থাকে। কেননা সময়ের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা আমি করি। আসলে সময়ই মানুষকে বলে দেয়, পথিক পথ ওদিকে নয়, পথ এদিকে। সুতরাং যে অবস্থায়ই হোক বা যে কারণেই হোক নিজেকে মানিয়ে নেওয়াই সবচেয়ে বড় ব্যাপার। বর্তমানে ব্যস্ততা কী নিয়ে? নাটক এবং নাটক। তাই ব্যস্ততা যেন আমার পিছু নিয়েছে। বিভিন্ন চ্যানেলে আমার অভিনীত কয়েকটি ধারাবাহিক প্রচার হচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ধারাবাহিক নাটক ‘আফরিন’। পরে হয়তো আরও অন্য নাটকের কাজ শুরু করব। মাঝে মাঝে মনে হয় এত কাজ নাইবা করলাম। কিন্তু পর মুহূর্তেই মনে হয়, যে ভালোলাগার তাগিদ থেকে মিডিয়ায় কাজ করতে এসেছিলাম, সেই ভালোলাগার কাছে সত্ থাকতে চাই এবং পরিশ্রম করতে চাই নিজেকে আরও প্রমাণ করার জন্য। কোন ধরনের নাটকে কাজ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন? বর্তমানে আমাদের স্ক্রিপ্টের মধ্যে অনেক বৈচিত্র্য এসেছে। এখন আর নির্দিষ্ট প্রেম-ভালোবাসার মধ্যে আমাদের নাটক আটকে নেই। দৈনন্দিনের নানা ধরনের ঘটনাগুলোই উঠে আসছে আমাদের নাটকগুলোতে, সে ক্ষেত্রে আমাদের নাটকগুলোও অনেক বেশি জীবনঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। আমি সব সময়ই ধারাবাহিক নাটক থেকে এক ঘণ্টার নাটকে অভিনয় করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। কারণ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি নাটকের পরিসমাপ্তি ঘটে, তাই আমার মতো অনেক অভিনয়শিল্পীরই এক ঘণ্টার নাটকগুলো পছন্দ। নাটকের মাঝে অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন দেখানো সম্পর্কে কিছু বলুন। এ ক্ষেত্রে মূলত আমাদের খুব বেশি বলার কিছু নেই, কেননা বাস্তব অবস্থাটা মেনে নেওয়া সবচেয়ে বড় ব্যাপার। বিজ্ঞাপনী সংস্থার উপর আমরা অনেকাংশে নির্ভর করি, সুতরাং এ ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষেরও কিছুটা সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে। আপনার নাগরিক আনন্দ-বেদনা কতটুকু? নাগরিক আনন্দ খুঁজে নিতে হয়, তবে নাগরিক বেদনা খুঁজে নেওয়া লাগে না তা স্বাভাবিকভাবেই চলে আসছে। দেশের নাগরিক হিসেবে অবশ্যই দেশের কাছে আমার কৃতজ্ঞতা ও দায়বদ্ধতা আছে। নানা প্রতিকূলতার মাঝেও আমাদের দেশ কিন্তু ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে উন্নতির দিকে। কারও জন্য অপেক্ষা না করে নিজেরা নিজেদের দায়িত্ব যদি সত্ ও সঠিকভাবে পালন করি তাহলে সমাজে কোনো সমস্যাই থাকবে না।