আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, সরকার অর্থ, ব্যবসা ও বাণিজ্য সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা এডিআর ব্যবস্থা চালু করেছে। সালিশ বা মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তি হলে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা লাভবান হবেন। তিনি বলেন, অর্থ ও বাণিজ্য সংক্রান্ত বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তি হলে বিনিয়োগকারীরা উত্সাহিত হবেন এবং দেশে বিনিয়োগ বাড়বে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ইফেক্টিভ ডিসপিউট রেজোলিউশন (সিইডিআর) এবং বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল আরবিট্রেশন সেন্টার (বিয়াক) আয়োজিত ’অ্যাক্রেডিটেশন কোর্স অন মেডিয়েশন এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বিয়াকের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিয়াকের প্রধান নির্বাহী ড. তৌফিক আলী, বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ক্লাইমেট ফান্ডের প্রোগ্রাম ম্যানেজার ড. মাসরুর রিয়াজ বক্তব্য রাখেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, প্রচলিত বিচার ব্যবস্থায় বিরোধ নিষ্পত্তিতে বেশি সময় লাগে। আদালতের বাইরে সালিশ বা মধ্যস্থতাকারীর সহায়তায় বিরোধ নিষ্পত্তি হলে সময় ও অর্থ ব্যয় কম হয়। এ পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তি সামাজিক সুসম্পর্ক ও শৃংখলা বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, এডিআর ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক অনুসরণের বিধান রেখে সরকার দেওয়ানি কার্যবিধি সংশোধন করেছে। এডিআর ব্যবস্থা সফল করার উদ্দেশ্যে দক্ষ মধ্যস্থতাকারী গড়ে তুলতে সরকার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে। এডিআর ব্যবস্থাকে সফল করে তুলতে তিনি আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
মাহবুবুর রহমান বলেন, দেশে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতি সফল করে তুলতে এ বিষয়ে প্রশিক্ষিত জনবলের উপর গুরুত্ব প্রদান করতে হবে।
