প্রবাসী বাঙালিদেরও লজ্জায় ডোবালেন আরফিন রুমী

আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৩৩
প্রবাসী বাঙালিরা সব সময় তাদের নিজস্ব কালচারের অনুষ্ঠানে দেশীয় গান আর শিল্পীর সাথে কিছুটা সময় কাটাবেন বলেই ছুটে আসেন নিজেদের ব্যস্ততার ভেতরেও। সেখানেই মূল এনএবিসি নামের একটি সংগঠন অর্থাত্ নর্থ আমেরিকান বাংলাদেশ কনভেনশন নামের সংগঠনটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী বাঙালি নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি তুলে ধরার জন্যই এই সংগঠনটি কাজ করে। সেখানে আমন্ত্রিত হয়ে যান বাংলাদেশের গায়ক রুমী। মূলত দ্বিতীয় বিয়ের পর প্রথম স্ত্রীকে ঢাকায় রেখেই তিনি আমেরিকায় স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার প্রয়াসে আমেরিকায় অবস্থান করেন। ফ্লোরিডায় এনএবিসির অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়ে রুমী তার অতি বুদ্ধির পরিচয় দিতে গিয়েই সেখানে নিজের গান বাদ দিয়ে হিন্দি গান গাইতে শুরু করেন। স্তব্ধ তরুণ বাঙালিরা তখন চিত্কার করে তাকে স্টেজ থেকে নেমে যেতে বললে পরিস্থিতি সামলানোর জন্য আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ জামান রুমীর কাছে এসে বলেন, ‘এখানে আগে থেকেই আমাদের নীতিমালা রয়েছে হিন্দি গান গাওয়া যাবে না।’ কিন্তু আয়োজকের কথা শোনার পর উল্টো মাইক্রোফোন নিয়ে রুমি চিত্কার করে বলেন, ‘আয়োজকরা আমাকে টাকা দিয়েছে বলে কী মাথা কিনে নিয়েছে!’ এমন পরিস্থিতিতে সিনিয়রদের নিয়ে কটুক্তি করায় উপস্থিত কয়েক তরুণ রুমীকে মার দিতে এগিয়ে আসেন। এ অবস্থায় আবারও আয়োজক রুমী ও উপস্থিত শ্রোতাদের সামাল দেন। পরে রুমী একটি বাংলা গান গাইতে শুরু করেন। কিন্তু এরপরও পরিস্থিতি সামাল না দিয়ে একটি গান গাইবার পরও তিনি আয়োজকদের নামে নেতিবাচক কথা বলতে থাকেন। এ প্রসঙ্গে প্রত্যক্ষদর্শী আমেরিকা প্রবাসী কণ্ঠশিল্পী শেখ সাথী বলেন, ‘বিষয়টি দেখে আমি নিজেও লজ্জা পেয়েছি। এত বড় ন্যক্কারজনক কাজ করবে সে ভাবাই যায় না। এমনিতেই তার দুই বিয়ে এবং এখানেও আরেক নারীর সাথে কেলেঙ্কারি নিয়ে আমরা বিভিন্ন পত্রিকায় খবর পড়ি। এরপর প্রবাসী আয়োজকদের সাথে এমন আচরণে বাঙালিরা আমরা সকলেই লজ্জায় পড়ে যাই। কারণ তরুণদের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে শুধু বাঙালিই থাকেন না। বিভিন্ন দেশের দর্শকেরাও বাংলা গান শোনার জন্য এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তাদের সামনে একজন বাংলাদেশি শিল্পীর এই আচরণ আমাদের লজ্জায় মাথা হেট করে দিল।’